স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর-১ (কচুয়া) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন মুহাদ্দিস আবু নছর আশ্রাফী। প্রতীক বরাদ্দের খবরে এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। তারা বলছেন, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হয়েছে এবং এখন পূর্ণ উদ্যমে মাঠে নামবেন।
প্রতিক্রিয়ায় আবু নছর আশ্রাফী বলেন, “দাঁড়িপাল্লা ন্যায়বিচার, সততা ও ভারসাম্যের প্রতীক। এই প্রতীক নিয়ে আমি মানুষের কাছে যাবো, তাদের কথা শুনবো এবং ইনশাআল্লাহ চাঁদপুর-১ আসনকে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও জনবান্ধব আসনে রূপ দিতে কাজ করবো।” তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি ২০২৬) জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক বরাদ্দ পাওয়ার পর উচ্ছ্বসিত নেতা-কর্মী ও জনগণের উদ্দেশ্যে এই বক্তব্য রাখেন। এদিন চাঁদপুরের পাঁচটি আসনসহ সারাদেশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।
স্থানীয় জামায়াত নেতারা জানান, চাঁদপুর-১ আসনে আবু নছর আশ্রাফীর সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে। শিক্ষা, ধর্মীয় ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে তাঁর সক্রিয় ভূমিকার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া মিলছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পাওয়ার মধ্য দিয়ে নির্বাচনী প্রচারণা আরও বেগবান হবে।
এদিকে প্রতীক ঘোষণার পর কচুয়ার বিভিন্ন এলাকায় জামায়াতের নেতাকর্মীরা মিছিল ও পথসভা করে আনন্দ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, “দল নয়, চরিত্র ও যোগ্যতাই মুখ্য”—এই বার্তা নিয়ে ঘরে ঘরে পৌঁছানোই এখন তাদের প্রধান লক্ষ্য।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চাঁদপুর-১ আসনে এবারের নির্বাচন প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতে যাচ্ছে। দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পাওয়ায় জামায়াত প্রার্থী আবু নছর আশ্রাফীর অবস্থান আরও দৃঢ় হলো বলে মনে করছেন তারা।
উল্লেখ্য চাঁদপুর-১ আসনে প্রতীক প্রাপ্ত অন্যান্য প্রার্থীরা হলেন বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী আ ন ম এহছানুল হক মিলন, জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতীকের প্রার্থী হাবিব খান, গণঅধিকার পরিষদের ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী মো. এনায়েত হোসেন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের মোমবাতি প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন, গণফোরামের উদীয়মান সূর্যের প্রার্থী মোহাম্মদ আজাদ হোসেন।
chandpurdiganta.com The Daily Chandpur Diganta