
স্টাফ রিপোর্টার
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে চাঁদপুরের মোহনা শিল্পগোষ্ঠী ও হিলশা সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা ও ক্যালোগ্রাফি ক্লাস উদ্বোধন অনষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যায় চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমীতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শুরার সদস্য ও জেলা আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসাইন মিয়াজী। তিনি বলেন, সাংস্কৃতিক কর্মীদের দায়ী ইলাল্লাহর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়ে সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চাকে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিকশিত করতে হবে।
সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে নৈতিক মানকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে অপসংস্কৃতির চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় অগ্রসর হতে হবে। সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চায় যারা শিল্পী হিসেবে অবদান রাখছেন, তাদের অবশ্যই মহাগ্রন্থ আল-কুরআনের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে।
নিজেদের সাংস্কৃতিক প্রতিভাকে সার্বক্ষণিক লালন করতে হবে। একজন দায়ী শিল্পী হিসেবে সময় ও আর্থিক কুরবানি পেশ করার পাশাপাশি আত্মপ্রদর্শনের মানসিকতা, হিংসা ও বিদ্বেষ পরিহার করার আহ্বান জানান।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন দেশীয় সাহিত্য সাংস্কৃতি সংসদের কেন্দ্রীয় অফিস সম্পাদক মনিরুল ইসলাম।অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন চাঁদপুর হিলশা সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের উপদেষ্ঠা বিশিস্ট শিক্ষাবিদ জাহাঙ্গীর আলম প্রধান। মোহনা শিল্পগোষ্ঠীর চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম, ক্যালোগ্রাফি ক্লাস উদ্বোধন করেন সাবেক চেয়ারম্যান মুজাহিদুল ইসলাম।
সমন্বিত সাংস্কৃতি সংসদ(সসাস)এর কেন্দ্রীয় অর্থ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, বিশিস্ট সমাজ সেবক আব্দুস শুক্কুর মস্তান, সদর জামায়াতের সেক্রেটারী জুবায়ের হোসেন, শিবিরের জেলা সভাপতি মোহাম্মদ হাসান সহ বিভিন্ন পেশাজীবীর ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। চাঁদপুর হিলশা সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদের পরিচালক মোহাম্মদ হোসাইন ও মোহনা শিল্পগোষ্ঠীর পরিচালক জুবায়ের আল মাহমুদের পরিচালনায় গান পরিবেশন করেন শিল্প সুলতান মাহমুদ, ফরহাদ হোসেন সহ অন্যান্যরা।
বক্তারা আরও বলেন, রাজনৈতিক যুদ্ধের চেয়েও সাংস্কৃতিক যুদ্ধ অনেক বেশি গভীর ও সুদূরপ্রসারী। কারণ সাংস্কৃতিক প্রভাব যুগের পর যুগ সমাজ ও সভ্যতায় লালিত হয়; এমনকি রক্তক্ষয়ী রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরও সাংস্কৃতিক প্রভাব থেকে মুক্ত হওয়া কঠিন।


















