হাইমচরে তরুণী করোনায় আক্রান্ত

 হাইমচর উপজেলার উত্তর ইউনিয়ন লামচরী গ্রামের বাসিন্দা তরণী করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। ৫ মে মঙ্গলবান তার করোনা টেস্ট রিপোর্ট পজেটিভ হয়েছে। করোনা শনাক্ত হওয়ার সংবাদ পেয়ে প্রশাসনের পক্ষ হতে আক্রান্তের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে।

গত ২ এপ্রিল নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠালো মঙ্গলবার (৫ মে) রিপোর্ট আসে করোনা পজেটিভ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। করোনা সনাক্ত হওয়া তরুণী ফরিদগঞ্জ উপজেলায় তার খালার বাড়ি হতে (সেখানে করোনায় একজন মারা গেছেন) ২৮ এপ্রিল হাইমচরে নিজ বাড়িতে আসে। তার মধ্যে করোনার উপসর্গ দেখা দেয়ায়

হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্লপনা কর্মকর্তা ডা. বেলায়েত হোসেন জানান, হাইমচরের লামচরী গ্রামের ১৭ বছর বয়সী তরুণী ফরিদগঞ্জের করোনা উপসর্গে মৃত লোকের এলাকা হতে বাড়িতে আসার পর তার করোনার লক্ষন দেখা দেয়। ২ মে তার স্যাম্পল (নমুনা) কালেকশন করা হয়। মঙ্গলবার রিপোর্ট পাওয়া গেছে। এতে ওই তরুণীর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে।

ওই তরুণী বর্তমানে সুস্থ থাকায় স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ হতে নিজ বাড়িতে তাকে হোম আইসোলেশনে থাকা এবং চিকিৎসার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

হাইমচর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মেজবাউল আলম ভুঁইয়া জানান, করোনা শনাক্তের বাড়ি লকডাউন করা হয়েছে। আক্রান্ত পরিবারের নিরাপত্তাসহ তাদের জন্য প্রশাসনের পক্ষ হতে সকল ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে।

চাঁদপুরের কৃতি সন্তান কামরুল আহসান অতিরিক্ত আইজিপিতে পদোন্নতি

মতলব উত্তর উপজেলার কৃতি সন্তান বাংলাদেশ পুলিশের সিলেট রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোঃ কামরুল আহসান বিপিএম (বার)-কে পুলিশের নবনিযুক্তএন্টি টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক (চলতি দায়িত্ব) হিসেবে পদায়ন করা হলো তাকে ।

রোববার ৩ মে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে সিলেট রেঞ্জের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) থেকে পদোন্নতি দিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক হিসেবে নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। কামরুল আহসান সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার, পরবর্তীতে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করছিলেন সিলেট রেঞ্জের ডিআইজি হিসেবে।

বাংলাদেশ পুলিশের নবনিযুক্ত অতিরিক্ত আইজিপি মোঃ কামরুল আহসান বিপিএম (বার) চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার ষাটনল ইউনিয়নের ইমামপুর গ্রামের কৃতিসন্তান।

ফরিদগঞ্জে জমি সংক্রান্ত বিরোধে বাচ্চু মিয়াকে রক্তাত জখম। থানায় অভিযোগ

ফরিদগঞ্জ সংবাদদাতা

ফরিদগঞ্জের আলোনিয়া গ্রামে জমি সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে বাচ্চু মিয়া নামের এক ব্যাক্তিকে প্রতিপক্ষ মোঃ খালেক পাটওয়ারীর নেতৃত্বে এক দল সন্ত্রাসী পিটিয়ে মাথা ফাঁটিয়ে রক্তাত জখম করেছে গত ২৮ এপ্রিল/২০ইং। এবিষয়ে বাচ্চু মিয়া ফরিদগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

৪ এপ্রিল সোমবার সরেজমিন গেলে বাচচু মিয়া ও প্রতিবেশীরা জানাযায়, ঘটনার দিন বাচ্চু মিয়া তার ক্রয়কৃত ও বায়না সূত্রে মালিকানা জায়গায় গাছ কাটতে লেবার পাঠালে প্রতিপক্ষ অন্যায়ভাবে বেআইনী পেশীশক্তির বলে গাছ কাটতে বাধাঁ দেয়।

বাধা দিলে গাছ কাটা শ্রমিকরা চলে যায়। পরবর্তীতে বাচ্চু মিয়া ওঁই দিন বিকেলে কেন বাধাঁ দিয়েছে তা জানতে চাইলে প্রতিপক্ষ মোঃ খালেক পাটওয়ারী (৫৫) ,মোঃ মালেক পাটওয়ারী (৫০)সহ ৩/৪ জনের একটি দল সন্ত্রাসী কায়দায় আমাকে অকথ্যভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে পিটিয়ে ও কিলঘুষি ও লাথি দিয়ে

এক পর্যায় মাথায় লাঠি দিয়ে আঘাত করে মাথা ফাঁটিয়ে রক্তাত জখম করে। আমাকে খুন করার উদ্দেশ্যে আমার গলা চেপে ধরে শ^ারোধ করে মেরে পেলার চেষ্ট করে। এ সময় আমার সাথে থাকা ব্যবসায়ীক নগদ ৬৫ হাজার ৭শত টাকা জোর পূর্বক ছিনিয়ে নেয়।

বাচ্চু মিয়া আরোও জানান, প্রতিপক্ষ মোঃ খালেক পাটওয়ারী এলাকায় ব্যাপক ত্রাস চালিয়ে আসছে। একই এলাকার মৃর্ধ্যা বাড়ি ঝিলের পাড়ে তার নিয়মিত জুয়ার আসর, বিভিন্ন ব্যবসায়ীকে মারধোরের ঘটায় জড়িত থাকা সহ নারী নিপীড়নের ঘটনার সাথেও জড়িত রয়েছে বলে জানান। আমি আইনের আ¤্রয় নিয়েছি। আমার জান-মালের নিরাপত্তার জন্য আইন প্রয়োগকারী কর্তৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করছি।

ঘটনার বিষয়ে এলাকার লোকজনের মধ্যে চির জীবন দাস(৭৫) , বিপ্লব দাস(৪৫) ও ভিবা রানী দাস(৫৫) ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, বাচ্চু মিয়া শান্তি প্রিয় মানুষ সে খরিদ সূত্রে মালিক তার ক্রয়কৃত জমিতে খালেক পাটওয়ারীরা বাধা দিয়েছে। কেন বাধা দিয়েছে জানতে চাইলে তাকে রক্তাত জখম করে।

বাচ্চু মিয়া আরোও আমার ডাক চিৎকারে লোকজন আসিয়া আমাকে উদ্ধার করে ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্্ের নিয়ে ভর্তি করায়।

এ বিষয়ে ফরিদগঞ্জ থানায় বাচ্চু মিয়া বাদী হয়ে ২৮এপ্রিল/২০২০ইং এ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এএসআই রাজেশ পাল জানান, আমি অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট এলাকার চেয়ারম্যান ও মেম্বারকে শুক্রবারের মধ্যে বিরোধ মিটিয়ে দিতে বলেছি।

হাজীগঞ্জে করোনা উপসর্গ নিয়ে আরো এক জনের মৃত্যু

 খালেকুজ্জামান শামীম

 হাজীগঞ্জ উপজেলায় করোনার উপসর্গ নিয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে উপজেলায় দুজনের মৃত্যু হলো। সোমবার রাতে হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের উত্তর অলিপুর গ্রামে তার মৃত্যু হয়। মৃত বৃদ্ধের নাম মো. শহীদউল্যাহ (৬৫)। তিনি একই এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে।

জানা যায়, ওই বৃদ্ধ গত ৪-৫ দিন ধরে জ্বর, সর্দি ও গলাব্যথায় ভুগছিলেন। সোমবার দিবাগত রাতে তার পাতলা পায়খানা ও বমি হয়। এর পর রাত সাড়ে ১২টার দিকে বাড়িতে তার মৃত্যু হয়। হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একটি দল মঙ্গলবার মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান সফিকুল ইসলাম মীর  জানান, আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম। হাসপাতালের একটি দল মৃত ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করেছে। এর পর স্বাস্থ্যবিধি মেনে গোসল ও জানাজা শেষে ওই বৃদ্ধকে দাফন করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আফজাল হোসেন উজ্জল জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে মৃত ব্যক্তির পরিবারের ইচ্ছানুযায়ী মুসলিম শরিয়াহ অনুযায়ী তার দাফন-কাফন সম্পন্ন করা হয়।

করোনা উপসর্গ নিয়ে যে কোনো লোক মৃত্যুবরণ করলে সঙ্গে সঙ্গে প্রশাসনকে জানালে তা স্বাস্থ্যবিধি মেনে জানাজা ও দাফনের ব্যবস্থা করা হয়। এর আগে হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নে রেখা বেগম নামে এক নারীর মৃত্যু হয়। তিনি মৈশাইদ গ্রামের বাবুল গাজীর স্ত্রী ছিলেন।

হাজীগঞ্জে কোনো উপসর্গ ছাড়াই এক যুবক করোনা

হাজীগঞ্জে কোনো উপসর্গ ছাড়াই আলমগীর হোসেন (৩৮) নামের এক যুবক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। তিনি উপজেলার বাকিলা ইউনিয়নের রাধাসার গ্রামের  বাসিন্দা। মঙ্গলবার তার বাড়িটি লকডাউন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

আলমগীরসহ উপজেলায় এ পর্যন্ত তিনজন করোনা পজেটিভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। এর আগে হাজীগঞ্জে দাফন হওয়া নারী ফাতেমা বেগম করোনা আক্রান্ত ছিলেন। তিনি চাঁদপুরে বসবাস করতেন। সোমবার বিকালে প্রকাশিত রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, করোনা আক্রান্ত যুবক স্থানীয় জনপ্রতিনিধির সাথে চলাফেরা করায় তার জনসম্পৃক্ততা ছিল। তাই সন্দেহবশত তিনি নমুনা পরীক্ষা করান। কিন্তু তার কোনো উপসর্গ ছিল না। সোমবার প্রকাশিত রিপোর্টে করোনা পজেটিভ আসে। কিন্তু তিনি যাদের সাথে চলাফেরা করেছেন, তাদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন রনি  জানান, ওই যুবক হাজীগঞ্জ ও বাকিলা বাজারসহ তার এলাকায় ব্যাপক বিচরণ করেছেন। তাই এলাকার লোকজনকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

শাহরাস্তিতে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত, বাড়ি লকডাউন

শাহ আলম ভূ্ঁইয়া

শাহরাস্তি উপজেলায় প্রথম করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) পজেটিভ রোগী শনাক্ত হয়েছে। লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ হতে তথ্য গোপন করে চিকিৎসা নিতে আসা ওই রোগীর আক্রান্তের খবরে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আতংক বিরাজ করছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাসপাতালের ১৬ কর্মকর্তা কর্মচারীসহ ১৭ জন করোনা পরীক্ষার নমুনা জমা দিয়েছে। শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে কর্মরত চিকিৎসক ডাঃ সাইফুল ইসলাম জানান, আক্রান্ত রোগী শনিবার শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে এসেছে।

হাসপাতালে ভর্তির পর রোববার তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এদিকে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর টীম এসে ওই রোগীর শ্বশুরবাড়ি শাহরাস্তি পৌরসভার ৫ নং ওয়ার্ডের উপলতা গ্রামের শীল বাড়ি লক ডাউন ও বিভিন্ন বাজারে ওই বাড়ির লোকদের পরিচালিত সেলুনগুলো বন্ধ করে দিয়েছে।

জানা যায়, গত শনিবার (২’রা মে) শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলার পানিওয়ালা গ্রাম হতে ৫০ বছর বয়সী প্রাণ কৃষ্ণ শীল নামক রোগী গ্যাস্ট্রিক ও পেট ব্যথা নিয়ে চিকিৎসার জন্য আসে। রামগঞ্জ উপজেলায় করোনা আক্রান্ত রোগী থাকায় পরদিন ওই রোগীর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। মঙ্গলবার সকালে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে ওই রোগীর করোনা পজেটিভ বলে জানানো হয়।

শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের উপ-সহকারি কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোঃ আবু সুফিয়ান জানান, শনিবার দুপুরে ওই রোগী হাসপাতালের জরুরী বিভাগে পেট ব্যাথা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নিয়ে এসেছে। ওই সময় মেডিকেল অফিসার ডাঃ আমেনা বেগম তাকে ভর্তি দেন। আমি ও অফিস সহায়ক ইসমাইল হোসেন ওই সময় ইমারজেন্সিতে ছিলাম। রোববার নমুনা সংগ্রহের পর ওই রোগী হাসপাতাল হতে চলে যায়। আক্রান্তের শ্যালক শাহরাস্তি পৌরসভার উপলতা গ্রামের কৃষ্ণ শীল জানান, রোববার শাহরাস্তি হাসপাতাল হতে রিলিজ নিয়ে রোগীকে কুমিল্লা সিটি ল্যাব হাসপাতালে দেখাই। সেখানে রোগীর অন্ত্রে সমস্যা আছে এবং সার্জারী ডাক্তারের চিকিৎসা নিতে হবে মর্মে পরামর্শ দিলে আমরা তাকে কুমিল্লা ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করি।

আক্রান্তের আরেক শ্যালক সঞ্জয় চন্দ্র শীল জানান, মঙ্গলবার সকালে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হতে আমাদের রোগীর করোনা হয়েছে জানালে আমরা অধিকতর চিকিৎসার জন্য মহাখালীর উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছি। এ খবর প্রচার হতেই শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। রোগী ২ দিন হাসপাতালে ভর্তি থাকায় আতংকগ্রস্থ সেবিকা, চিকিৎসা সহকারী ও অন্যান্য কর্মচারীরা করোনা পরীক্ষার নমুনা জমা দেন। এদিকে আক্রান্তের শ্বশুরবাড়ি উপজেলার উপলতা গ্রামে হলেও সেটা ঠাকুর বাজারের (উপজেলার প্রধান বাজার) অংশ হওয়ায় ওই বাজারের লোকজনের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। আক্রান্তের শ্বশুর বাড়ির ৫০ গজের মধ্যেই পৌরসভার ৫, ৬, ৭ নং ওয়ার্ডের সংযোগস্থল এবং অদুরেই ১ ও ১১ নং ওয়ার্ড হওয়ায় গোটা এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।

সকালেই শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলমের নেতৃত্বে পুলিশ উপলতা শীল বাড়ি প্রবেশের ৬/৭ টি পথ লাল পতাকা টানিয়ে লকডাউন করে দেয়। এ সময় সেনাবাহিনীর একটি টীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। লকডাউনে সহায়তা করেন শাহরাস্তি থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মোঃ মোজাম্মেল হক ও সঙ্গীয় ফোর্স। শাহরাস্তি থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ আলম জানান, হাসপাতাল হতে তথ্য পেয়ে আক্রান্তের বাড়িতে গিয়ে ওই বাড়িটি লকডাউন ও স্থানীয় কাউন্সিলরকে বাড়ির লোকজনের খোঁজখবর নেয়ার দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। উপজেলার ঠাকুর বাজার, দোয়াভাঙ্গা, মেহের স্টেশান ও ভোলদিঘী বাজারে ওই বাড়ির লোকদের পরিচালিত সেলুনগুলো লকডাউন করে দেয়া হয়েছে।

স্থানীয়দের মতে রামগঞ্জের সাথে শাহরাস্তি উপজেলার লকডাউন চলাকালে ভিন্নপথে গোপনে আসা রোগীকে রামগঞ্জের ঠিকানা দেখার পরও শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করানো- সে সময়ে ডিউটিরত ব্যক্তিদের চরম দায়িত্বহীনটার পরিচায়ক। এতে জনসাধারণের আগে হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মচারিদের আক্রান্তের আশংকা রয়েছে।

এ ব্যাপারে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ প্রতীক সেন বলেন, রোগীর সেবা করা আমাদের দায়িত্ব। তবে পরিচয় গোপন করে আমাদেরকে বিভ্রান্ত করা হলে এর জন্য আমরা কি করতে পারি? আমাদের হাসপাতালের ১৬ জন স্টাফের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে। আমরা নিজেরাও আতংকে রয়েছি। প্রসঙ্গত, শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ পর্যন্ত ৪৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। শুধুমাত্র মঙ্গলবারেই ১৭ জন পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছে। এর আগে ৩০ জনের নমুনা দেয়া হয়েছে। যার মধ্যে ১ জন পজেটিভ ও ২৯ জন নেগেটিভ পাওয়া গেছে।

মতলবে স্কুলছাত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা

মতলব উত্তর উপজেলার আদুরভিটি গ্রামের কবির র্দজীর বাড়ির ভাড়াটিয়া পরিমল চন্দ্র দাসের মেয়ে উপজেলার ছেঙ্গারচরের সিদ্দিকা বেগম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেনীর ছাত্রী স্মৃতি রানী দাস (১৩) গলায় ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে ।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, রোববার ৩ মে রাত ৮ টার সময় পরিবারের সকলের অগোচরে ওড়না দিয়ে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলে সে আত্মহত্যা করেছে। এর আগে সন্ধ্যায় লেখাপড়া নিয়ে তার ভাই শুভ’র সাথে সে ঝগড়া করে। ধারনা করছি এ জন্যই সে রাগে ক্ষোভে এ ঘটনা ঘটিয়েছে।

জানা যায়,মৃত স্মৃতির বাবা পেশায় একজন মুচি। কাজ শেষে বাড়ীতে এসে মেয়েকে তিনি ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে তার ডাক চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এসে মেয়েটিকে মতলব দক্ষিণ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে।

পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে। এদিকে খবর পেয়ে মতলব দক্ষিণ থানার পুলিশ এসে লাশ ময়না তদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করেন। এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছে মতলব দক্ষিণ থানা পুলিশ।

চাঁদপুরে প্রবাসীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা, ৮ দিন পর লাশ উত্তোলন

নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদপুরে প্রবাসী স্বামীকে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী ও শ্যালোকের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। এরই আলোকে মৃত্যুর ৮ দিন পর প্রবাসী খলিলুর রহমান মিন্টু মিজির লাশ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে।

সোমবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা ৯ নং বালিয়া ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড উত্তর বালিয়া মিজি বাড়ির কবরস্থান থেকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রে ইমরান হোসেন সজিবের উপস্থিতিতে লাশ উত্তোলন করা হয়।

উত্তর বালিয়া মৃত আব্দুল রহিম মিজির ছেলে খলিলুর রহমান মিন্টু মিজি প্রায় ২০ বছর যাবত সৌদি ছিলেন। তাদের দাম্পত্য জীবনে এক ছেলে ও এক মেয়ে ছিলো।

গত ২৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে আসার পরেই পরিবার নিয়ে শহরের মমিনপাড়া বহদার বাড়ি রোড এলাকায় নিজ বাড়িতে বসবাস করে আসছেন। গত ২৬ এপ্রিল হঠাৎ করে তিনি অসুস্থ হয়েছে বলে স্ত্রী লায়লী বেগম ও শ্যালক সোহাগ জমাদার ঢাকা উদ্দেশ্যে রওয়ানা হন। পথিমধ্যেই মতলব মুন্সিরহাট এলাকায় মৃত্যুবরণ করেন বলে জানা যায়।

তারা তাকে ঢাকা না নিয়ে ফিরে এসে চাঁদপুর বারাকাহ হাসপাতালে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত বলে জানান। পরবর্তীতে লাইলী বেগম তার ভাই সহ লাশ বাসায় নিয়ে যান। তারপর মিন্টু মিজির পরিবারকে খবর জানানো হয় যে, করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে বলে ধারনা করেন।

মিন্টুর ছোট ভাই কামাল হোসেন প্রবাসে থাকেন। পরিবারে তেমন পুরুষ সদস্য না থাকায় এবং করোনার কথা শুনে ভয়ে কেউ না আসায় লায়লী বেগম ও তার ভাই সোহাগ সহ রাতেই তরিগরি করে মিন্টু মিজির লাশ তার গ্রামের বাড়িতে দাফন করে ফেলেন।
তাদের এই আচরনে ও তাদের কথায় কিছু গোলমাল পাওয়ায় এবং লাশ গোসল করানোর সময় তার গলায়,

মাথার পিছে সহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন দেখা যায় বলেও মিন্টু মিজির পরিবারের লোকজন জানায়। কিন্তু তাদের কথায় কোন কর্ণপাত না করে গভীর রাতেই মাটি দিয়ে ফেলেন।

তাদর এ ধরনের কর্মকান্ড ও লাশের গায়ের বিভিণœ চিহ্ন দেখেই প্রবাসী মৃত খলিলুর রহমান মিন্টু মিজির বোন শেফালী বেগম বাদী হয়ে হত্যার অভিযোগে স্ত্রী লায়লী বেগম ও শ্যালক সোহাগ জমাদারের বিরুদ্ধে চাঁদপুর মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেন।

আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরান হোসেন সজিব এর উপস্থিতিতে আট দিন পর ৪ মে সোমবার দুপুরে কবর থেকে লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়।

মৃত মিন্টু মিজির পরিবার জানায়, দীর্ঘদিন যাবত তাদের স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে টাকা পয়সা ও শহরের বাড়ি নিয়ে দ্বন্ধ চলে আসছে। সেই দ্বন্ধের জের ধরে স্ত্রী লাইলী বেগম ও শ্যালক সোহাগ জমাদার তাকে মেরে ফেলেছে। করোনা ভাইরাস আক্রান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে এই গুজব ছড়িয়ে দ্রæত পারিবারিক কবরস্থানে রাতের আধারে লাশ দাফন করে ফেলে। এই ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সদর এসিলেন্ট ইমরান হোসেন সজিব জানায়, এই ঘটনায় আদালতের নির্দেশে লাশটি উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে মামলার অভিযুক্ত প্রবাসীর স্ত্রী লায়লী বেগম জানায়, গত ২৪ ডিসেম্বর বিদেশ থেকে দেশে এসে সুস্থভাবে জীবন যাপন করেছেন। হঠাৎ ২৪ এপ্রিল তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার সালেহ আহামেদের কাছে নিয়ে দেখালে তার পরামর্শ মতে ঔষধ খাওয়ালে সুস্থ হয়ে ওঠে।

পরে ২৬ তারিখে আবারো অসুস্থ হয়ে পড়লে ডাক্তারের পরামর্শে তাকে ঢাকায় নেওয়ার পথে বাবুরহাটে তার মৃত্যু হয়। সেখান থেকে নিয়ে এসে রাতেই লাশ দাফন করা হয়। তিনি স্ট্রোক করে মারা গেছেন বলে আমরা ধারণা করছি।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সিরাজুল ইসলাম জানান, প্রবাসী মৃত্যুর ঘটনায় তার বোন শেফালী বেগম বাদী হয়ে একটি এজাহার দায়ের করেছেন। এই ঘটনায় আদালতের নির্দেশে আমরা লাশ উত্তোলন করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করেছি। রিপোর্ট অনুযায়ী পরবর্তীতে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

হাজীগঞ্জে করোনা সন্দেহ এক নারীর মৃত্যু, নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে

হাজীগঞ্জ প্রতিনিধি

হাজীগঞ্জে রেখা বেগম (২৫) নামে দুই সন্তানের জননী করোনা সন্দহে মারা গেছে বলে জানিয়েছেন হাজীগঞ্জ উপজেলা স্থাস্থ্যকমপ্লেক্স কর্তৃপক্ষ। সে উপজেলার ৫ নং সদর ইউনিয়নের মৈশাইদ গ্রামের বাবুল গাজীর স্ত্রী। ৪ মে সোমবার দুপুরে হাজীগঞ্জের ভিআইপি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।

নিহত রেখার স্বামী বাবুল গাজী জানান, তার স্ত্রী রেখা গত ৫ দিন থেকে অসুস্থ্য। তার প্রচুর বুমি হয়। শরীরে ব্যথা ও মৃধু জ্বর ছিল। অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে হাজীগঞ্জ উপজেলার রামপুর বাজারে ডাক্তার মো: শাহনেওাজের কাছে নিয়ে যায়। সে খানে তার অবস্থার অবনতি দেখে তাকে হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। কিন্তু ডাক্তার সে খানেও তার অবস্থার অবনতি দেখে কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরন করে।
এদিকে রেখার স্বামী বাবুল গাজী তাকে কুমিল্লা না নিয়ে হাজীগঞ্জ বাজারে ভিআইপি হাসপাতালে নিয়ে গেলে ডাক্তার মৃত ঘোষনা করে। পরে তাকে পুনরায় হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স নিয়ে যায়। সে খানে চিকিৎসকদের করোনা সন্দেহ হয়। পরে তার নমুনা পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
স্থানীয় চিকিৎসক ডা.মো. শাহ নেওয়াজ বলেন, রুগী আমার কাছে আসলে আমার সন্দেহ হয়। তার প্রেসার অনেক নেমে যাওয়ায় তারে উপজেলা স্বাস্থকমপ্লেক্সে নেয়ার পরামর্শ দেই।
রেখার মা মরিয়ম বেগম  বলেন, আমার মেয়ের ৫ দিন ধরে অসুস্থ্য। তবে বুমি করেছে, শরির ব্যাথা ও একটু জ্বর ছিল।
হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্ললেক্সের ডা. নাজমুল করিম জানান, মৃত রেখার মধ্যে কিছুটা করোনা উপসর্গ সন্দেহ হয়। তার নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসলে নিশ্চিত  হওয়া যাবে।
ক্যাপশন: হাজীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্সের বারান্দায় পড়ে আছে রেখার লাশ। পাশে দাঁড়ানো স্বামী বাবুল গাজী।
Attachments area

হাইমচর সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত ও লকডাউন বাস্তবায়নে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেজবাউল আলম ভূইয়া

জি এম শরীফ মাছুম বিল্লাহ

 

করোনা ভাইরাসের আক্রমনে হতবিহ্বল গোটা বিশ্ব। যার সয়লাভ হয়েছে বাংলাদেশেও। সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষে বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি জেলা ও উপজেলা লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

চাঁদপুর জেলা প্রশাসক মাজেদুর রহমান খান কর্তৃক ঘোষিত লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিরামহীন কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন হাইমচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেজবাউল আলম ভূইয়া।

হাইমচরবাসী কে করোনা ভাইরাস থেকে মুক্ত রাখার নিমিত্তে প্রায় দেড় মাস ধরে উপজেলার ভিঙ্গুলিয়া থেকে জালিয়ার চর পর্যন্ত প্রতিটি হাট-বাজার, জনবহুল স্থান ও রাস্তাঘাটে লোকসমাগম নিয়ন্ত্রণ করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।

ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ সহ দেশের অন্যান্য করোনা আক্রান্ত জেলা বা উপজেলা থেকে আগত লোকজনকে ১৪ দিনের হোম কোয়ারান্টাইনে রেখে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছেন।

জানা যায়, গত ৩০ মার্চ থেকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত ১৩৭ জনকে হোম কোয়ারান্টাইন নিশ্চিত, গ্রামে গ্রামে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত, বাজারের দ্রব্যমূল্য মনিটরিং এবং সরকারি নির্দেশনা অমান্য করায় বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেজবাউল আলম ভূইয়া।

উপজেলার প্রতিটি দোকানের দৃশ্যমান স্থানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন ও মূল্য তালিকা যাচাই পূর্বক রশিদসহ কেনাকাটা করতে ক্রেতা-বিক্রেতাদের আহ্বান জানান তিনি।

করোনা পরিস্থিতি ও উপজেলা প্রশাসনের চলমান কার্যক্রম নিয়ে হাইমচর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মেজবাউল আলম ভূইয়া

এক সাক্ষাৎকারে বলেন- হাইমচর উপজেলার সর্বস্তরে সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত, জীবানু নাশক চিটানো, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সেচ্চাসেবক টীমের তৎপরতায় হাইমচর উপজেলা এখনও করোনা মুক্ত রয়েছে।

২ মে শনিবার করোনা টেস্টের যে ১০ জনের রিপোর্ট এসেছে তাতে সবগুলোই নেগেটিভ পাওয়া গেছে। ৪নং নীল কমল ইউনিয়নে ১২ বছরের যে কিশোরী করোনা আক্রান্ত ছিল সেও সুস্থ হয়ে উঠেছে।

তিনি বলেন- আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। মূল্য তালিকা দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শনে রাখার আহ্বান জানাচ্ছি। মূল্য তালিকা যাচাই পূর্বক রশিদসহ কেনাকাটা করে জনসাধারণের কষ্টার্জিত অর্থ কিছুটা সাশ্রয় হয় তবেই আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।

তিনি আরও বলেন- করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না আসা পর্যন্ত সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিত ও লকডাউন বাস্তবায়নে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। হাইমচর উপজেলাকে করোনা মুক্ত রাখার জন্য আপ্রান চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।

জনগণের সচেতনতা-ই পারে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করতে। মানুষ নিজেদের প্রয়োজনে ঘর থেকে বেরিয়ে আসছে। কেউবা অযথাই রাস্তায় ঘুরাফেরা করছে।

হোম কোয়ারান্টাইনে না থেকে সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে প্রতিনিয়ত করোনা ঝুঁকি বাড়াতে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে ছোটাছুটি করছে। একমাত্র জনগণের আন্তরিক সচেতনতা-ই করোনা ঝুঁকি কমাতে পারে। তাই, সকলকে ঘরে থাকার জন্য অনুরোধ করেছেন হাইমচর উপজেলা প্রশাসন।

ফরিদগঞ্জে ধানুয়ায় মৃত ব্যক্তির করোনা পজেটিভ, বাড়ি লকডাউন

 

ফরিদগঞ্জে করোনা ভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে মৃত আবুল বাশার এর করোনা পজেটিভ রিপোর্ট এসেছে। গত ২৭ এপ্রিল জ্বর, সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট ও পাতলাপায়খানা নিয়ে আবুল বাশার মারা যাওয়ায় তার নমুনা সংগ্রহ করে আইডিসিআর এ পাঠানো হয়।

৩মে রোববার আইডিসিআরের প্রদত্ত রিপোর্টে করোনা পজেটিভ এসেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাযায় ।

এদিকে মৃত আবুল বাশার এর করোনা রিপোর্ট পজেটিভ আশার সংবাদ শুনে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান সোহেল চৌধুরীসহ প্রশাসনের লোকজন মৃত আবুল বাশারের বাড়িটি সম্পূর্ন লকডাউন করেন। এবং তার পরিবারের সদস্যদের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এ খবরে ঐ এলাকায় আতংক বিরাজ করছে।

ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.আশ্রফ আহম্মেদ চৌধুরী জানান, উপজেলার গোবিন্দপুর উত্তর ইউনিয়নের ধানুয়া গ্রামের বৃদ্ধ আবুল বাশারের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে আমরা তার নমুনা সংগ্রহ করে আইডিসিআরে পাঠিয়েছি। তার রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিউলী হরি বলেন, মৃত আবুল বাসারের রিপোর্ট করোনা পজেটিভ আসার সংবাদ পেয়ে আমরা ঐ এলাকা সম্পূর্ন লকডাউন করেছি।