রোববার (১১ জানুয়ারি) সকালে অনুষ্ঠিত শুনানিতে তার আপিল আবেদন মঞ্জুর করেন নির্বাচন কমিশন। এ সময় কমিশন তার দাখিল করা মনোনয়নপত্রকে বৈধ ঘোষণা করে।
এর আগে, হলফনামায় স্বাক্ষর সংক্রান্ত ত্রুটির কারণে যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছিল। পরে তিনি প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশনে আপিল করেন।
আপিলে প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণার পর ১১ জানুয়ারি সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক স্ট্যাটাসে ডা. মোহাম্মদ আবদুল মোবিন লিখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, চাঁদপুর-২ জামায়াতের নমিনেশন আপিল শুনানিতে ডাক্তার মোহাম্মদ আবদুল মোবিনের নমিনেশন বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। আলহামদুলিল্লাহ, মতলবের সর্বস্তরের জনগণের প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা জানাই। লড়াই হবে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার।’
এই ঘোষণার পর চাঁদপুর-২ আসনের জামায়াতের নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নেতাকর্মীরা বলছেন, আপিলের রায়ের মাধ্যমে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
এদিকে, ডা. মোহাম্মদ আব্দুল মোবিন বলেন, ‘আমার হলফনামায় একটা স্বাক্ষর বাদ পড়েছিলে। এজন্য জেলাতে আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছিল। পরে মনোনয়নপত্র বৈধতা চেয়ে আপিল করলে রোববার সকাল ১০টায় আমার মনোনয়নপত্র বৈধতা ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন।’
অন্যদিকে, মোবিনের প্রার্থিতা বৈধ হওয়ায় চাঁদপুর-২ আসনের নির্বাচনী মাঠে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
