
স্টাফ রিপোর্টার
চাঁদপুর সদর উপজেলার এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। এ বছর সদর উপজেলায় মোট ৩ হাজার ৬২৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২ হাজার ১৩৪ জন শিক্ষার্থী সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছে। সামগ্রিকভাবে উপজেলায় পাসের হার ৫৮.৯০ শতাংশ এবং সর্বোচ্চ ৭৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন।
উপজেলার কলেজগুলোর মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্তির দিক থেকে বরাবরের মতোই শীর্ষে রয়েছে চাঁদপুর সরকারি কলেজ। এই প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট ৫৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৮৫.৪৪ শতাংশ পাস করেছে এবং সর্বোচ্চ ৩৯ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা চাঁদপুর সরকারি মহিলা কলেজ থেকে ৭৬৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৬৬.৮০ শতাংশ পাস করেছে, যার মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৭ জন।
উপজেলার অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মধ্যে শাহতলী জিলানী কলেজ থেকে ৬৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৭৬.২৭ শতাংশ এবং ড্যাফোডিল কলেজ থেকে ৩২৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬৭.৮৯ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে, যার মধ্যে ১ জন জিপিএ-৫ পেয়েছে।
আল আমিন একাডেমি থেকে ৪৮৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৫৯.৬৭ শতাংশ পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ জন। এছাড়া খেরুদিয়া দেলোয়ার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজে পাসের হার ৫১.৩৫ শতাংশ, যেখানে মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৩৭ জন।
অন্যদিকে বাবুরহাট কলেজে ৪৫২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৪৫.৩৫ শতাংশ পাস করেছে এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ জন। পুরাণ বাজার ডিগ্রি কলেজে ৫৭৭ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ৪৪.৯১ শতাংশ। বীর প্রতিক মমিন উল্যাহ একাডেমী থেকে ৩৬ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে ৪১.৬৭ শতাংশ পাস করেছে।
তবে উপজেলার কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ফলাফল বেশ হতাশাজনক। চাঁদপুর রেসিডেন্সিয়াল কলেজে ৫৯ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাসের হার ২৫.৪২ শতাংশ, ফরক্কাবাদ কলেজে ২৩৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩.৫ শতাংশ এবং কামরাংগা স্কুল ও কলেজে ২১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র ১৯.০৫ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করতে সক্ষম হয়েছে। উপজেলার সামগ্রিক ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কিছু প্রতিষ্ঠান সন্তোষজনক ফল করলেও বেশ কয়েকটি কলেজের পাসের হার অর্ধেকেরও নিচে নেমে এসেছে।


















