চাঁদপুরে ঝড় ও প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টিতে বিভিন্ন স্থানে ক্ষতি হয়েছে। চাঁদপুরসহ উপজেলাগুলোতে ঝড় আঘাত হানে। এ সময় দমকা হাওয়া এবং শিলার আঘাতে বিভিন্ন স্থানে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি ও গাছপালাসহ বিভিন্ন স্থানে বিদুৎতের তারে সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার দুপুরে ঘন্টা ব্যাপী ঝড় ও প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টির কারনে চাঁদপুর শহরের বিভিন্ন গাছের ডাল ও সড়কে পানি জমতে থাকতে দেখা গেছে। ঝড় ও প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টির কারেনে শহরের বিষ্ণুদী মাদ্রাসা রোডসহ বিভিন্ন এলাকায় ১০-১২ ঘন্টা বিদুৎহীন ছিলো। এতে করে একরকম বিদুৎ না থাকায় দুর্ভোগে পড়তে হয়ে মানুষের।
এদিকে হাইমচর হঠাৎ ঝড়ে মানুষের ঘর বাড়ি,বৈদ্যুতিক তার, খুটি, গাছ পালা ভেঙ্গে গেছে। সরেজমিন দেখা গেছে হাইমচর উপজেলার পূবচরকৃঞ্চপুর, গন্ডামারা, দক্ষিণ আলগী, কমলাপুর, কাটাখালী, লামচরী গ্রামের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বিচুন্ন রয়েছে বিদ্যুৎতি সংযোগ।
পল্লী বিদ্যুৎ চাঁদপুর জোন ২ হাইমচর উপজেলার ইনচার্জ মোঃ শহিদ উল্লা জানা ঘূনি ঝড়ে হাইমচরে গাছ পালা ভেঙ্গে অনেক জায়গায় বৈদ্যুতিক তার ও খুটি পড়ে গেছে। ব্যাপক গাছপালা ভেঙ্গে তা সেরে উঠতে সময় লাগবে।
এদিকে ঝড় ও প্রচণ্ড শিলাবৃষ্টির কারনে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে মরিচ ও আলু চাষিরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
কৃষক জকির কবিবার জানান, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারনে মরিচ গাছগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। আর যারা এখনো উত্তোলন করেনি, তদের আলুর ক্ষতি হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।
চাঁদপুর আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা শাহ মো. শোয়েব বলেন, চাঁদপুরে গত ২৪ ঘন্টায় ২৮ মিলিমিটার শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া শুক্রবার ভোর ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টায় পর্যন্ত আরো ৩৩ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। বাতাস ও ঝড়ের গতিব্যাগ ঘন্টা ৬৬ কিলোমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। চাঁদপুরে এ দিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৫.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ও সর্বোনিম্ন তাপমাত্রা ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। আগামী ২৪ ঘন্টার মধ্যে চাঁদপুরে আরো ঝড়-বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছেন বলে জানান এ আবহাওয়াবিদ।
chandpurdiganta.com The Daily Chandpur Diganta