সেলিম খান ও তার ছেলের মরদেহ উত্তলনের নির্দেশ

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সদর মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ফয়েজ আহমেদ।

তিনি জানান, যদিও গত ২০২৪ এর জুলাই আন্দোলন অর্থাৎ ৫ আগস্ট বিকেলে ক্ষুব্ধ জনতার হাতে নি’হ’ত হন সেলিম খান ও তার ছেলে শান্ত খান। কিন্তু ওই সময় বিনা ময়নাতদন্তে তাদের ম’র’দে’হ দাফন করা হয়। পরবর্তীতে এই দুজনের মৃ’ত্যু নিয়ে সদর মডেল থানা পুলিশ বাদী হয়ে মামলা করে। সম্প্রতি চাঁদপুরের চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ম’র’দে’হ দুটি কবর থেকে তুলে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেন। এ জন্য জেলা প্রশাসকের কাছে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট চাওয়া হয়; যার উপস্থিতিতে ম’র’দে’হ কবর থেকে তোলা হবে। তবে কবে তা কবর থেকে তোলা হবে, এই বিষয় এখনো কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি। এমনটি জানান, পুলিশের এই কর্মকর্তা।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গ্রামের বাড়ি সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর থেকে সেলিম খান ও তার ছেলে শান্ত খান গাড়িতে পালাতে গিয়ে পাশের বাগড়া বাজার এলাকায় জনতার হাতে আটক হন। পরে উত্তেজিত জনতার মা’র’ধ’রে’র শিকার হয়ে ঘটনাস্থলেই বাবা ও ছেলে মা’রা যান। এই ঘটনার একদিন পর তাদের ম’র’দে’হ গ্রামের বাড়িতে দাফন করেন স্বজনরা। তবে ওই সময় এই নিয়ে কোনো অভিযোগ বা মামলা হয়নি সংশ্লিষ্ট থানায়।

চাঁদপুর সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং একই সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন সেলিম খান। পদ্মা ও মেঘনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে কয়েক বছরে শত শত কোটি টাকার মালিক হয়ে যান তিনি। শুধু তাই নয়, চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনে জমি অধিগ্রহণ নিয়েও নয় ছয়ের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে।