বুধবার , এপ্রিল ২৯ ২০২৬

নানা প্রতিবন্ধকতায় আক্রান্ত চাঁদপুর বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়

একাডেমিক ভবনসহ নানা সংকটে আক্রান্ত চাঁদপুর বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টি। সাড়ে ৪ একরের ক্যাম্পাসে নেই কোনো খেলার মাঠ।

ঝুঁকিপূর্ণ সড়ক দিয়ে ক্লাস করতে যেতে হয় পাশের শিশু পরিবারের জরাজীর্ণ ভবনে। বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের দেখাশোনার জন্য নেই নার্স। শিক্ষকসহ অন্যান্য জনবলেরও তীব্র সংকট।

শ্রবণ ও বাক প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য ১৯৬৪ সালে চাঁদপুরে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশেষ এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি। ১০০ জনের আবাসনের ব্যবস্থা থাকলেও নানা সংকটে অধ্যয়ন করছে ৫৫ শিক্ষার্থী।

প্রতিষ্ঠানটি চলছে নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্য দিয়ে। একমাত্র বিদ্যালয়ের ভবনটি ২০২৩ সালে ভেঙে ফেলার পর থেকে পাশের সরকারি শিশু পরিবারের জরাজীর্ণ ভবনে চলছে শ্রেণি কার্যক্রম। সেখানেও হেঁটে যেতে হয় চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কের পাশ দিয়ে। শ্রবণ ও বাক শক্তি না থাকায় প্রতিনিয়ত থাকে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।

কোনো নার্স নেই। রয়েছে শিক্ষক সংকটও। প্রতিষ্ঠানটিতে ২২টি পদের বিপরীতে শূন্য পদ ১৩টি।

চাঁদপুর সরকারি বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক হ্যাপি আক্তার বলেন, নানা বাধায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এসব শিশুরা পাচ্ছে না মানসিক বিকাশের পরিবেশ।

অবকাঠামো উন্নয়ন ও জনবল সংকট সমাধানে চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে মন্ত্রণালয়ে বলে জানিয়েছেন, চাঁদপুর সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সভাপতি অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন।

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন এসব শিশুর জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে সরকার এমনটাই প্রত্যাশা সবার।