শনিবার , জুলাই ২০ ২০২৪

স্বাস্থ্যবিধি মেনেই হাজীগঞ্জ বড় মসজিদে জোহরের জামায়াত # মুসল্লী সমাগম কম

খালেকুজ্জামান শামীম

 চাঁদপুরের ঐতিহাসিক হাজীগঞ্জ বড় মসজিদে আজ বৃহস্পতিবার থেকে জোহরের নামাজের জামায়াত শুরু করেছে। স্বাস্থ্যবিধি মেনে শর্ত সাপেক্ষে বৃহস্পতিবার জোহর থেকে উপজেলার বিভিন্ন মসজিদে নামাজে মুসল্লী সমাগম কম।
বিশেষ করে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে যোহরের নামাজের জামাযাতে ২৫ কাতারে ৪/৫  শ  মুসল্লী অংশ নিয়েছে। যা পুর্বের তুলনায় একেবারে নগন্য। তবে বিশ্লেষকদের ধারনা ধীরে এর পরিবর্তন হবে। মুসল্লিদের সংখ্যা বাড়বে এখন অনেকেই করোনা আতংকে ঘর থেকে বের হচ্ছেনা। এসময় যোহরের জামায়াতে ১ থেকে দেড় হাজার মুসল্লী অংশ নিত।
জামায়াত শেষে বেশ ক জন মুসল্ললির সাথে কথা হলে তারা বলেন, অনেক দিন পর মসজিদে নামাজের সুযোগ পেয়ে ভালোই লাহলো। বেশি ভালো লেগেছে এ করোনা আতংকের মাঝে সামাজিক দুরত্ব বাজায় রেখেই জামায়াত আদায় করা হয়। মসজিদে প্রবেশ মুখে স্পে ব্যাবস্থাসহ সতর্কীয় সকল ব্যবস্থায় নামাজ পড়ার ব্যবস্থা করা হয়। ক্রমান্বয়ে মসল্লীর সংখ্যা বাড়বে।
হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় সসজিদের সাবেক মোতাওল্লী অধ্যক্ষে ড. আলমগীর কবির পাটোযারী বলেন, আমাদের মসজিদে যেহেতু বড় জামায়াত হয় সে খানে সতর্কটাও বেশি থাতে হয়। আগে সরকারী বিধি মনেই জামায়াত চলছিল। আজ সে ভাবেই হয়েছে। নিরাপদ দুরত্ব বজায় রেখে জামায়াত হয়েছে। আজ প্রথম জামায়াতে ৫ শ মুসল্লি অংশ নিয়েছে।
এক্ষেত্রে আমরাও সীমাবদ্ধতা বজায় রেখেছি। সব গেইট খুলিনি।
এদিকে হাজীগঞ্জের আলীগঞ্জ মাদ্দাখা( র:) জামে মসজিদ, ছোট মসজিদসহ সকল মসজিদেই জামায়াত হলেও সবার মাঝে সংঙ্কা বিরাজ করছিল।

বুধবার ধর্মমন্ত্রণালয় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে এক জরুরি নোটিশে জানানো হয়েছে। এর আগে করোনার প্রাদুর্ভাব ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে গত ৬ এপ্রিল মসজিদে না গিয়ে বাড়িতে নামাজ পড়ার নির্দেশনা দেয় মন্ত্রণালয়। শুক্রবারের নামাজ মসজিদে না পড়ে বাড়িতে জোহরের নামাজ পড়ার নির্দেশনা দেয়া হয়।

অন্যান্য ধর্মের মানুষকেও বাড়িতে ধর্মপালনের নির্দেশ দেয় মন্ত্রণালয়। তবে গত ২৩ এপ্রিল মন্ত্রণালয় নির্দেশনা জারি করে যে পবিত্র রমজান মাসে মসজিদে ১০ জন মুসল্লি এবং দুজন ইমাম নামাজে অংশ নিতে পারবেন।

ক্যাপশন: হাজীগঞ্জ বড় মসজিদে সামাজিক দুরত্ববজায় রেখে যোহরের জামায়াত। মসজিদ মাঠে আগের মত নেইসমাগম। মসজিদে ডুকতেই স্পে করে নিচ্ছে মুসল্লিরা।