মঙ্গলবার , মে ২১ ২০২৪

র‌ঙিন পৃ‌থিবী ডাই‌রি—–৩

‌শেখ মোহাম্মদ বেলা‌য়েত হোসাইন

রংঙের মেলায় কত ঢং করছো ত‌ুমি?
মনের অজান্তে কত পদস্খলন ঘটছে তোমার জীবনে!
তা‌কি কখনো বেভে দেখেছ তুমি?
তা হয়তো তোমার বিবেক তোমাকে ভাবিয়ে তুলতে অক্ষমতার প‌রিচয় দিয়েছে।

চ‌রিত্র:
———
চরিত্র শব্দের আরবি (আখলাক) যা সাধারনত মানুষের দৈনন্দিন কাজকর্মের মধ্য দিয়ে যে আচার-আচরণ ও স্বভাব-চরিত্রের প্রকাশ পায় তাকে বোঝায়। মানব জীবনের ব্যক্তিগত, সামাজিক এবং আন্তর্জাতিক সকল দিকই আখলাক তথা চরিত্রের অন্তর্ভুক্ত।
মানুষ অন্তর দিয়ে যে চিন্তা, মতবাদ, আদর্শ,  লালন করে তা আচরণ ও মোয়ামিলাতের মাধ্যমে প্রত্যক্ষ পরোক্ষ ভাবে ফুতে উঠে,,
তা থেকে একজন ব্যক্তির চরিত্র অনুমাপক করা আমি মোটেই কঠিন বলে মনে করিনা।

রঙিন দুনিয়ায় আজকের তরুণরা কত আপডেট, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে এর অন্তরালে তরুণদের  নৈতিক ও চারিত্রিক অবস্থান উন্নতি হয়েছে না পদস্খলন ঘটেছে????
৯৯% উত্তরে বলবেন: পদস্খলন  ঘটেছে।
হ্যাঁ আমিও এর সাথে একমত।

এব্যাপার ইতিহাসের মানদন্ডে প্রশ্ন রাখতে চাই?

প্রশ্নঃ যখন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি আপডেট ছিলোনা তখনকি মানুষের নৈতিক ও চারিত্রিক পদস্খলন ঘটেনি?
নিঃসন্দেহে উত্তরে বলবেনঃ হ্যাঁ ঘটেছে, তবে এতটা বেপরোয়া ছিলোনা।
এখানে আমি একটু বলতে চাই: ইতিহাস পর্যালোচনায় যত পিছনে যাবেন ততই জনসংখ্যা কম পাবেন, তাই আনুপাতিক হারে কম থাকাটাই/হওয়াটাই স্বাভাবিক।

তবে এখনকার বাস্তবতা হচ্ছে প্রযুক্তির কল্যাণে ভালোটা যতটা হাতের নাগালে তার চেয়ে বেশি হাতে নাগেলে খারাপটাই।

তাই আমি বলবো বিশ্বাসিদের  বিশ্বাস পরীক্ষা কঠিন হয়েছে, নৈতিক চরিত্র ধরে রাখার চ্যালেঞ্জও বেড়েছে।
এই পরীক্ষা ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় যারা সফল হবে তারাই প্রকৃত সফল।
(প্রকৃত সফল বলতে বুঝাতে চেয়েছি দুই জগতের সফলতাকে)

তরুণদের নৈতিক চরিত্রের অবস্থান এতোটা মন্দ হওয়ার কারন কি জানেন?
আমরা নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করার কথা ছিল যার যার নিজ নিজ ধর্ম গ্রন্থ থেকে।
কিন্তু তা না-করে আমরা আমাদের শিক্ষক, মুরুব্বী, নেতা নেত্রীর কাছ থেকে নৈতিক শিক্ষা গ্রহণ করছি/অন্যান্য পুস্তক।
সঠিক ও নির্ভুল কোন ধর্ম মানুষকে  নগ্নতা, বেহায়াপনা, অশ্লীলতা, দর্শন, চাঁদাবাজি হিংসা বিদ্বেষ, হানাহানি মারামারি শিখায় না এটা প্রমাণিত ও পরিক্ষিত।

জীবন চরিত্রের বাস্তব শিক্ষা নেয়ার কথা ছিল ধর্মের বার্তাবাহক এর কাছ থেকে।
কিন্তু তা না-করে আমরা আমাদের প্রতিনিধি, বড় ভাই, সম্পর্কের ভাই,পীর ওস্তাদ ভালোবাসার মানুষদের অনুসরণ অনুকরণ করছি।

তাই আজকে ধর্মহীন মানুষরাই ভালোবাসা, আন্তরিকতা, সহযোগীতা দিয়ে আমাদের চরিত্র লুটে,কুটে,চুষে,চেটে, খেয়ে ফেলছে,
ফলে চারিত্রিক ভাবে আমরা দেউলিয়া হওয়ার পথ ধরেছি।
(যে ব্যক্তি চরিত্র হারালো তার কাছে হারাবার মত আর কিছুই রইলো না। নবী মুহাম্মদ (স:)

চলুন আমরা ফিরে যাই আমাদের ধর্মের কাছে, (একমাত্র) আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করি ধর্মের বার্তাবাহককে।
———————
বি: দ্র: কোন পরামর্শ বা ভুল থাকলে আশাক‌রি ইনবক্সে স্বরন করিয়ে উপকৃত করবেন ইনশাআল্লাহ্।
——————————————
ধারাবাহিক পড়ুন র‌ঙিন পৃ‌থিবী ডাই‌রি
—————————————————–