চাঁদপুর জেলা রিকশা মালিক সমিতি রেজি নং (১৭১২) এর সদস্যরা ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার দূপুরে চাঁদপুর পৌর প্রশাসকের সাথে দেখা করতে যেয়ে তাকে না পেয়ে পৌরসভার নবনিযুক্ত সচিবের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
এসময় সমিতির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান সুমন মস্তান বলেন ২০১৭-১৮ সালের পরে চাঁদপুর পৌরসভা থেকে আমাদের কোন লাইসেন্স দেওয়া হচ্ছে না। ততকালীন ফ্যাসিস্ট সরকারের মেয়র চাঁদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নাছির উদ্দীন আহমেদ চাঁদপুর শহর থেকে রিকশা বিতারিত করার জন্য আমাদের উপর যে ভাবে অত্যাচার জুলুম করেছেন তা কোন সভ্য সমাজে হতে পারে না। তিনি আমাদের রিকশা মালিকদের পেটে লাঠি মেরে ছিলেন। আল্লাহর গজবে তারা হারিয়ে গেছে।
জেলায় রিকশা মালিকের সংখ্যা প্রায় ২ হাজার। যদি রিকশা বন্ধ করে দেওয়া হয় অথবা মালিক রেখে ড্রাইভারদের লাইসেন্স দেয়া হয়। তাহলে বেকার হয়ে পড়বে ২ থেকে আড়াই হাজার রিকশা মালিক। ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদের পরিবারের ৯-১০হাজার মানুষ। তাই সকলদিক বিবেচনা করে রিকশা মালিকদের লাইসেন্স দেওয়ার জন্য পৌরসভার কাছে অনুরোধ জানান।
তিনি আরো বলেন রিকশা-ই একমাত্র বাহন যে বাহন সিঙ্গেল চলাচলে, রুগী পরিবহনে প্রায় সবধরনের রাস্তায় চলাচল করতে পারে। মানুষের চলাফেরায় তাত্ক্ষণিক সেবায় নিয়োজিত রিকশা এ জেলার শতবছরের ঐতিহ্য। মালিক সমিতি ছাড়া ড্রাইভারদের দিয়ে রিকশা কন্ট্রোল করা যাবে না।
যেখানে ঢাকাসহ সারাদেশে বিভিন্ন জেলা শহরে ব্যাটারী চালিত ইজিবাইক নিষিদ্ধ ঘোষণা করে চলাচল বন্ধ করে,অথচ আমাদের চাঁদপুর পৌরসভায় ঐ ব্যাটারী চালিত ইজিবাইককে লাইসেন্স দিয়ে চলাচলের বৈধতা দেন। অথচ শত বছরের পুরণো ঐতিহ্যবাহী রিকশার লাইসেন্স বন্ধ করে রেখেছে। এবং এই রিকশা বন্ধের ষড়যন্ত্র করছে।
এর আগে গত ২৪ আগষ্ট মালিক সমিতি সদস্যরা পৌর প্রসাশকে সাথে দেখা করতে গেলে তখনও পৌর প্রসাশক না থাকায় তারা৷ ততকালীন পৌর সচিবের সাথে কথা বলেন।
নবনিযুক্ত সচিব বলেন আপনারা যখন আসছেন হতাস হবার কিছু নাই। আপনাদের সাথে পরামর্শ করেই পৌর প্রশাসক ও জেলা প্রশাসক মহদয় সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা রিকশা মালিক সমিতির সভাপতি মজিবুর রহমান সুমন মস্তান, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মুন্সি, সহসভাপতি মঞ্জুর আলম মনা, সহসাধারণ সম্পাদক সবুজ আখন্দ, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ জাফর গাজী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ জসিম পাটওয়ারী, কোষাধ্যক্ষ শফিকুর রহমান বেপারি সহ কয়েক শতাধিক মালিক ও চালকরা উপস্থিত ছিলেন।
