চাঁদপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট উদ্বোধন

শহর প্রতিনিধি

চাঁদপুরে মাদক, ইভটিজিং এবং কিশোর গ্যাং বিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট-২০১৯ এর উদ্বোধন হয়েছে। শনিবার ১৪ ডিসেম্বর রাতে শহরের গুয়াখোলায় এই টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার মো. মাহবুবু রহমান পিপিএম (বার)।

গুয়াখোলা ক্রীড়া চক্র শীতকালীন এই জনপ্রিয় টুর্নামেন্টের আয়োজন করেছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন চাঁদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক চাঁদপুর কন্ঠের প্রধান সম্পাদক কাজী শাহাদাত, চাঁদপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাসিম উদ্দিন,

দুর্বার নিউজ ২৪ ডটকম’র প্রধান সম্পাদক বি এম হারুর উর রশিদ। জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক এম. এ. হাসান লিটন, পৌর কমিউনিটি পুলিশিং সভাতি আমিনুল ইসলাম বাবুল, অনুষ্ঠানের শুরুতে গুয়াখোলা ক্রীড়া চক্রের পক্ষে প্রধান অতিথিকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতাউর রহমান পারভেজসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরে প্রধান অতিথি উপস্থিত খেলোয়াড় ও সুধীবৃন্দের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং খেলার উদ্বোধন করেন।

ক্যাপশন: চাঁদপুরে কিশোর গ্যাং বিরোধী ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট উদ্বোধন করছেন পুলিশ সুপার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মাহবুবু রহমান পিপিএম (বার)।

চাঁদপুরে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সার্টিফিকেট দিয়েছেন মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এমএ ওয়াদুদ

দিগন্ত রিপোর্ট

বিতর্কিত ফ্রিডম পার্টি’র সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ ওয়াদুদ এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেছেন চাঁদপুরের মুক্তিযোদ্ধারা। শনিবার ২৩ নভেম্বর দুপুরে চাঁদপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ‘সম্মিলিত মুক্তিযোদ্ধা ও যুদ্ধকালীন কমান্ডারবৃন্দ’ ব্যানারে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দীর্ঘদিন ধরে মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদে দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে বিতর্কিত কর্মকান্ড পরিচালনা করেন। বিশেষ করে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের সার্টিফিকেট প্রদান, মুক্তিযোদ্ধা যাচাই-বাছাই কার্যক্রমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ, নিজের নামের আগে লেফটেন্যান্ট ব্যবহার নিয়ে প্রতিবাদ জানান মুক্তিযোদ্ধারা।

তিনি ১৯৮৬ সালে জাতীয় পার্টির কৃষি বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন এবং পরবর্তীতে ফ্রিডম পার্টিতে যোগদান করেন। এছাড়া ২০১৭ সালের পর থেকে জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার এর দায়িত্বে না থেকে নিয়মিত সংসদে যাওয়া ও কমান্ডার পরিচয়ে নানা ধরনের কর্মকান্ডে জড়িত থাকায় নিন্দা জানান মুক্তিযোদ্ধারা। একই সাথে এমএ ওয়াদুদের ছোট ভাই মতলব উত্তর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ কুদ্দুছও ফ্রিডম ফাইটার এর সাথে জড়িত থাকা এবং নানা ধরনের অপকর্মের সাথে জড়িত থাকার ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধারা নিন্দা জানান।

এসব ঘটনায় অবিলম্বে মুক্তিযোদ্ধা এম এ ওয়াদুদ এর বিতর্কিত কর্মকান্ড সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান মুক্তিযোদ্ধারা। সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শহীদুল আলম রব। তিনি বলেন, এসব ঘটনায় ১৯৭৪ সাল থেকে ২০১৯ পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, অর্থ আত্মসাৎ, অবৈধ অস্ত্র সংরক্ষণের ঘটনায় মামলা হয়েছে।
এসময় উপস্থিত ছিলেন যুদ্ধকালীন কমান্ডার মো. মমিন উল্যাহ পাটওয়ারী বীর বিক্রম, বিএলএফ কমান্ডার হানিফ পাটোয়ারী, মিঞা মো. জাহাঙ্গীর আলমসহ চাঁদপুরে কর্মরত প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সাংবাদিক। সংবাদ সম্মলেন জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের প্রায় দুই শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা উপস্থিত ছিলেন।

ক্যাপশন: বিতর্কিত ফ্রিডম পার্টি এর সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এম এ ওয়াদুদ এর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন চাঁদপুর জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শহীদুল আলম রব।

চাঁদপুরে প্রাথমিকে কমেছে ২ হাজার ৫শ’ একজন শিক্ষার্থী

স্টাফ রিপোর্টার

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৯। পরীক্ষা আজ ১৭ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২৪ নভেম্বর। চাঁদপুর জেলায় বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ১হাজার ৮শ’ ৫১ টি প্রতিষ্ঠানের ৫ম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৫২ হাজার ৪ শ’ ৭৩ জন।

এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১হাজার ৪শ’ ৪৬টি বিদ্যালয়ের ছাত্র ১৯ হাজার ৮শ’ ৪৮ জন, ছাত্রী- ২৫ হাজার ৭শ’ ৬৮ জন, মোট- ৪৫ হাজার ৬ শ’ ১৬ জন এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২শ’ ১৫ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৩ হাজার ৮শ’ ১৪ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৪৩ জন, মোট- ৬ হাজার ৮শ’ ৫৭ জন। পরীক্ষা সকাল ১০.৩০ টা থেকে শুরু হয়ে ১.০০ টা পর্যন্ত চলবে। গতবছরের তুলনায় এবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী উভয় পরীক্ষার্থীই কমেছে। গত বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ছিল ৪৭ হাজার ৯ শ’ ৮৬ জন এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ছিল ৬ হাজার ৯শ’ ৪৯ জন।

১৭ নভেম্বর রবিবার ইংরেজি, ১৮ নভেম্বর সোমবার বাংলা, ১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় ইবতেদয়ী’র বাংলাদেশ ও বিশ^ পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রাথমিক বিজ্ঞান ইবতেদায়ী’র আরবি, ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ইবতেদায়ী’র কুরআন ও তাজবীদ এবং আকাইদ ও ফিকহ, ২৪ নভেম্বর রবিবার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলাওয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ঃ সদর উপজেলায় ২শ’ ৭২ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৩হাজার ৭শ’ ৯২ জন, ছাত্রী- ৫ হাজার ৮৩ জন, মোট- ৮ হাজার ৮শ’ ৭৫ জন; কচুয়া উপজেলায় ২শ’ ৬৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৯শ’ ৬০ জন, ছাত্রী- ৪ হাজার জন, মোট- ৬ হাজার ৯ শ’ ৬০ জন; হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২শ’ ২৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৬শ’ ৫৩ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৪শ’ ৬৫ জন, মোট- ৬ হাজার ১ শ’ ১৮ জন; শাহরাস্তি উপজেলায় ১শ’ ৫৪ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ১ হাজার ৯শ’ ৩৫ জন, ছাত্রী- ২ হাজার ৫শ’ ৭৫ জন, মোট- ৪ হাজার ৫ শ’ ১০ জন; ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ২শ’চাঁদপুরে প্রাথমিকে কমেছে ২ হাজার ৫শ’ একজন শিক্ষার্থী
স্টাফ রিপোর্টার

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৯। পরীক্ষা আজ ১৭ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২৪ নভেম্বর। চাঁদপুর জেলায় বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ১হাজার ৮শ’ ৫১ টি প্রতিষ্ঠানের ৫ম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৫২ হাজার ৪ শ’ ৭৩ জন। এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১হাজার ৪শ’ ৪৬টি বিদ্যালয়ের ছাত্র ১৯ হাজার ৮শ’ ৪৮ জন, ছাত্রী- ২৫ হাজার ৭শ’ ৬৮ জন, মোট- ৪৫ হাজার ৬ শ’ ১৬ জন এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২শ’ ১৫ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৩ হাজার ৮শ’ ১৪ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৪৩ জন, মোট- ৬ হাজার ৮শ’ ৫৭ জন। পরীক্ষা সকাল ১০.৩০ টা থেকে শুরু হয়ে ১.০০ টা পর্যন্ত চলবে। গতবছরের তুলনায় এবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী উভয় পরীক্ষার্থীই কমেছে। গত বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ছিল ৪৭ হাজার ৯ শ’ ৮৬ জন এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ছিল ৬ হাজার ৯শ’ ৪৯ জন।

১৭ নভেম্বর রবিবার ইংরেজি, ১৮ নভেম্বর সোমবার বাংলা, ১৯ নভেম্বর মঙ্গলবার বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয় ইবতেদয়ী’র বাংলাদেশ ও বিশ^ পরিচয় এবং বিজ্ঞান, ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার প্রাথমিক বিজ্ঞান ইবতেদায়ী’র আরবি, ২১ নভেম্বর বৃহস্পতিবার ধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা ইবতেদায়ী’র কুরআন ও তাজবীদ এবং আকাইদ ও ফিকহ, ২৪ নভেম্বর রবিবার গণিত বিষয়ের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলাওয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ঃ সদর উপজেলায় ২শ’ ৭২ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৩হাজার ৭শ’ ৯২ জন, ছাত্রী- ৫ হাজার ৮৩ জন, মোট- ৮ হাজার ৮শ’ ৭৫ জন; কচুয়া উপজেলায় ২শ’ ৬৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৯শ’ ৬০ জন, ছাত্রী- ৪ হাজার জন, মোট- ৬ হাজার ৯ শ’ ৬০ জন; হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২শ’ ২৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৬শ’ ৫৩ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৪শ’ ৬৫ জন, মোট- ৬ হাজার ১ শ’ ১৮ জন; শাহরাস্তি উপজেলায় ১শ’ ৫৪ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ১ হাজার ৯শ’ ৩৫ জন, ছাত্রী- ২ হাজার ৫শ’ ৭৫ জন, মোট- ৪ হাজার ৫ শ’ ১০ জন; ফরিদগঞ্জ

উপজেলায় ২শ’ ৫৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৩ হাজার ৯০ জন, ছাত্রী- ৪ হাজার ১শ’ ২০ জন, মোট- ৭ হাজার ২শ’ ১০ জন; মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ১শ’ ৫৪ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ১ হাজার ৮শ’ জন, ছাত্রী- ২ হাজার ১শ’ ৬১ জন, মোট- ৩ হাজার ৯ শ’ ৬১ জন; মতলব উত্তর উপজেলায় ২শ’ ৪১ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৭শ’ ৫৩ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৯১ জন, মোট- ৫ হাজার ৮ শ’ ৪৪ জন; হাইমচর উপজেলায় ৮০ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৮শ’ ৬৬জন, ছাত্রী- ১ হাজার ২শ’ ৭৩ জন, মোট- ২ হাজার ১শ’ ৩৯ জন।

উপজেলাওয়ারী ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ঃ সদর উপজেলায় ২৯টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৫শ’ ৮৭ জন, ছাত্রী- ৪শ’ ৭৭ জন, মোট- ১ হাজার ৬৪ জন; কচুয়া উপজেলায় ৩৭ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৬শ’ ৩৩ জন, ছাত্রী- ৬শ’ ৪৫ জন, মোট- ১ হাজার ২ শ’ ৭৮ জন; হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২৯ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৬শ’ ২৬ জন, ছাত্রী- ৪শ’ ৮২ জন, মোট- ১ হাজার ১শ’ ৮ জন; শাহরাস্তি উপজেলায় ২৪ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৪শ’ ২১ জন, ছাত্রী- ৩শ’ ৫২ জন, মোট- ৭শ’ ৭৩ জন; ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ৫৪ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৯শ’ ২জন, ছাত্রী- ৬শ’ ১৯ জন, মোট- ১ হাজার ৫ শ’ ২১ জন; মতলব দক্ষিণ

উপজেলায় ১৭ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ২শ’ ৮২ জন, ছাত্রী- ২শ’ ১৩ জন, মোট- ৪ শ’ ৯৫ জন; মতলব উত্তর উপজেলায় ১৫ টি মাদ্রাসার ছাত্র ১শ’ ৯৩ জন, ছাত্রী- ১শ’ ৪৩ জন, মোট- ৩ শ’ ৩৬ জন; হাইমচর উপজেলায় ১০ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ১শ’ ৭০ জন, ছাত্রী- ১শ’ ১২ জন, মোট- ২ শ’ ৮২ জন ।
২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং ২০১০ সালে ইবতেদায়িতে এই পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম দুই বছর বিভাগভিত্তিক ফল দেয়া হলেও ২০১১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে এ পরীক্ষার সময় আধ ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে দেয়া হয়।

৫৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৩ হাজার ৯০ জন, ছাত্রী- ৪ হাজার ১শ’ ২০ জন, মোট- ৭ হাজার ২শ’ ১০ জন; মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ১শ’ ৫৪ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ১ হাজার ৮শ’ জন, ছাত্রী- ২ হাজার ১শ’ ৬১ জন, মোট- ৩ হাজার ৯ শ’ ৬১ জন; মতলব উত্তর উপজেলায় ২শ’ ৪১ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৭শ’ ৫৩ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৯১ জন, মোট- ৫ হাজার ৮ শ’ ৪৪ জন; হাইমচর উপজেলায় ৮০ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৮শ’ ৬৬জন, ছাত্রী- ১ হাজার ২শ’ ৭৩ জন, মোট- ২ হাজার ১শ’ ৩৯ জন।

উপজেলাওয়ারী ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ঃ সদর উপজেলায় ২৯টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৫শ’ ৮৭ জন, ছাত্রী- ৪শ’ ৭৭ জন, মোট- ১ হাজার ৬৪ জন; কচুয়া উপজেলায় ৩৭ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৬শ’ ৩৩ জন, ছাত্রী- ৬শ’ ৪৫ জন, মোট- ১ হাজার ২ শ’ ৭৮ জন; হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২৯ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৬শ’ ২৬ জন, ছাত্রী- ৪শ’ ৮২ জন, মোট- ১ হাজার ১শ’ ৮ জন; শাহরাস্তি উপজেলায় ২৪ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৪শ’ ২১ জন, ছাত্রী- ৩শ’ ৫২ জন, মোট- ৭শ’ ৭৩ জন; ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ৫৪ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৯শ’ ২জন, ছাত্রী- ৬শ’ ১৯ জন, মোট- ১ হাজার ৫ শ’ ২১ জন; মতলব দক্ষিণ

উপজেলায় ১৭ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ২শ’ ৮২ জন, ছাত্রী- ২শ’ ১৩ জন, মোট- ৪ শ’ ৯৫ জন; মতলব উত্তর উপজেলায় ১৫ টি মাদ্রাসার ছাত্র ১শ’ ৯৩ জন, ছাত্রী- ১শ’ ৪৩ জন, মোট- ৩ শ’ ৩৬ জন; হাইমচর উপজেলায় ১০ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ১শ’ ৭০ জন, ছাত্রী- ১শ’ ১২ জন, মোট- ২ শ’ ৮২ জন ।
২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং ২০১০ সালে ইবতেদায়িতে এই পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম দুই বছর বিভাগভিত্তিক ফল দেয়া হলেও ২০১১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে এ পরীক্ষার সময় আধ ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে দেয়া হয়।

প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী সমাপনী পরীক্ষা শুরু ১৭ নভেম্বর চাঁদপুরে পরীক্ষার্থী ৫২ হাজার ৪শ’ ৭৪ জন ॥ পরীক্ষা কেন্দ্র ১শ’ ৫৬টি

এম এ গফুর
প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ২০১৯। পরীক্ষা আগামী ১৭ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২৪ নভেম্বর। চাঁদপুর জেলায় বিদ্যালয় ও মাদ্রাসার ১ হাজার ৮শ’ ৫১ টি প্রতিষ্ঠানের ৫ম শ্রেণীর সমাপনী পরীক্ষার্থী সংখ্যা ৫২ হাজার ৪ শ’ ৭৪ জন।

এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ১হাজার ৪শ’ ৪৬টি বিদ্যালয়ের ছাত্র ১৯ হাজার ৮শ’ ৪৯ জন, ছাত্রী- ২৫ হাজার ৭শ’ ৬৮ জন, মোট- ৪৫ হাজার ৬শ’ ১৭ জন এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় ২শ’ ১৫ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৩ হাজার ৮শ’ ১৪ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৪৩ জন, মোট- ৬ হাজার ৮শ’ ৫৭ জন। গতবছরের তুলনায় এবার প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী উভয় পরীক্ষার্থীই কমেছে। গত বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ছিল ৪৭ হাজার ৯ শ’ ৮৬ জন এবং ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ছিল ৬ হাজার ৯শ’ ৪৯ জন।

উপজেলাওয়ারী প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ঃ সদর উপজেলায় ২শ’ ৭২টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৩হাজার ৭শ’ ৯২ জন, ছাত্রী- ৫ হাজার ৮৩ জন, মোট- ৮ হাজার ৮শ’ ৭৫ জন; কচুয়া উপজেলায় ২শ’ ৬৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৯শ’ ৬০ জন, ছাত্রী- ৪ হাজার জন, মোট- ৬ হাজার ৯ শ’ ৬০ জন; হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২শ’ ২৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৬শ’ ৫৩ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৪শ’ ৬৫ জন, মোট- ৬ হাজার ১শ’ ১৮ জন;

শাহরাস্তি উপজেলায় ১শ’ ৫৪ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ১ হাজার ৯শ’ ৩৫ জন, ছাত্রী- ২ হাজার ৫শ’ ৭৫ জন, মোট- ৪ হাজার ৫ শ’ ১০ জন; ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ২শ’ ৫৫ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৩ হাজার ৯০ জন, ছাত্রী- ৪ হাজার ১শ’ ২০ জন, মোট- ৭ হাজার ২শ’ ১০ জন; মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ১শ’ ৫৪ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ১ হাজার ৮শ’ জন, ছাত্রী- ২ হাজার ১শ’ ৬১ জন, মোট- ৩ হাজার ৯ শ’ ৬১ জন; মতলব উত্তর উপজেলায় ২শ’ ৪১ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ২ হাজার ৭শ’ ৫৩ জন, ছাত্রী- ৩ হাজার ৯১ জন, মোট- ৫ হাজার ৮ শ’ ৪৪ জন; হাইমচর উপজেলায় ৮০ টি বিদ্যালয়ের ছাত্র- ৮শ’ ৬৬জন, ছাত্রী- ১ হাজার ২শ’ ৭৩ জন, মোট- ২ হাজার ১শ’ ৩৯ জন।

উপজেলাওয়ারী ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার্থী ঃ সদর উপজেলায় ২৯টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৫শ’ ৮৭ জন, ছাত্রী- ৪শ’ ৭৭ জন, মোট- ১ হাজার ৬৪ জন; কচুয়া উপজেলায় ৩৭ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৬শ’ ৩৩ জন, ছাত্রী- ৬শ’ ৪৫ জন, মোট- ১ হাজার ২ শ’ ৭৮ জন; হাজীগঞ্জ উপজেলায় ২৯ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৬শ’ ২৬ জন, ছাত্রী- ৪শ’ ৮২ জন, মোট- ১ হাজার ১শ’ ৮ জন; শাহরাস্তি উপজেলায় ২৪ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৪শ’ ২১ জন, ছাত্রী- ৩শ’ ৫২ জন, মোট- ৭শ’ ৭৩ জন;

ফরিদগঞ্জ উপজেলায় ৫৪ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ৯শ’ ২জন, ছাত্রী- ৬শ’ ১৯ জন, মোট- ১ হাজার ৫ শ’ ২১ জন; মতলব দক্ষিণ উপজেলায় ১৭ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ২শ’ ৮২ জন, ছাত্রী- ২শ’ ১৩ জন, মোট- ৪ শ’ ৯৫ জন; মতলব উত্তর উপজেলায় ১৫ টি মাদ্রাসার ছাত্র ১শ’ ৯৩ জন, ছাত্রী- ১শ’ ৪৩ জন, মোট- ৩ শ’ ৩৬ জন; হাইমচর উপজেলায় ১০ টি মাদ্রাসার ছাত্র- ১শ’ ৭০ জন, ছাত্রী- ১শ’ ১২ জন, মোট- ২ শ’ ৮২ জন ।

২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং ২০১০ সালে ইবতেদায়িতে এই পরীক্ষা শুরু হয়। প্রথম দুই বছর বিভাগভিত্তিক ফল দেয়া হলেও ২০১১ সাল থেকে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশ করা হচ্ছে। ২০১৩ সাল থেকে এ পরীক্ষার সময় আধ ঘণ্টা বাড়িয়ে আড়াই ঘণ্টা করা হয়। সমাপনী পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের বৃত্তি দিয়ে দেয়া হয়।

চাঁদপুরে যথাযোগ্য মর্যাদায় পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) পালিত

স্টাফ রিপোর্টার

যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদা ও ভাবগাম্বীর্যের মধ্যদিয়ে চাঁদপুরে গত রোববার পালিত হয়েছে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। বিশ্বমানবতার মুক্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সা:) এর জন্মদিন উৎসাহ উদ্দীপনা ও তাঁর জীবনী আলোচনার মধ্যদিয়ে পালন করেছে মুসলিম বিশ্ব।

আলোচনা অনুষ্ঠান, ইবাদাত বন্দেগী, দোয়া দুরুদ ও ওয়াজ মাহফিলের মাধ্যমে মুহাম্মদ (সা:)কে স্মরণ করেছে উম্মতে মোহাম্মাদী। ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে চাঁদপুরের স্থানীয় সংবাদপত্রে বিশেষ নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ দৈনিক পত্রিকাসমূহে ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে রোববার বিশেষ ছুটি পালিত হয়েছে। ফলে সোমবার কোনো পত্রিকা প্রকাশিত হয়নি।

আজ থেকে ১৪শ ৪৯ বছর আগে ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে ১২ রবিউল আউয়ালে সুবহে সাদিকের সময় মক্কা নগরীর সম্ভ্রান্ত কুরাইশ বংশে মা আমেনার গর্ভে জন্মগ্রহণ করেন বিশ্ব শান্তির দূত হযরত মুহাম্মদ (সা.)। পিতা মাতাকে হারিয়ে এতিম অবস্থায় চাচা আবু তালিবের আশ্রয়ে বড় হন তিনি। চল্লিশ বছর বয়সে নবুয়্যত লাভের পর শুরু করেন মানুষকে সত্য সুন্দর ও শান্তির পথ প্রদর্শনের আন্দোলন। অনেক বাধা বিপত্তি পেরিয়ে তিনি এ আন্দোলনে সফল হন। প্রতিষ্ঠা করেন সাম্য শান্তির অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র মদীনাতুল মুনাওয়ারা। তিনিই সর্বপ্রথম মদীনা সনদ নামে শান্তিময় রাষ্ট্রের লিখিত সংবিধান প্রণয়ন করেন। যা আজো বিশ্বের প্রথম সংবিধান হিসেবে স্বীকৃত ও সম্মানিত।

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা:) উপলক্ষে ইসলামিক ফাউন্ডেশনসহ বিভিন্ন সংগঠন আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। চাঁদপুরে শিশু একাডেমির উদ্যোগে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপিত শিশুদের নিয়ে, হামদ, নাত, মহানবী সম্পর্কে রচনা প্রতিযোগিতার অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হতে পুরস্কার তুলে দেন। এছাড়াও বিভিন্ন সংগঠন আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী পালন করেছে। চাঁদপুরে বিভিন্নস্থানে জশনে জুলুস র‌্যালি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করেছে।

চাঁদপুর শহরে রিভাইভ হোমিও সেন্টার উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার

চাঁদপুর শহরে হাজী মহসিন রোড় টেকনো হান্নান কমপ্লেক্সে রিভাইভ হোমিও সেন্টার উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের সাবেক ছায়াবানী হল টেকনো হান্নান কমপ্লেক্সের নিচতলায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দৈনিক চাঁদপুর দিগন্তের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যক্ষ মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল কাউছার স্কুল হাজীগঞ্জের প্রধান শিক্ষক মো: জাহাঙ্গীর আলম প্রধান, আল-আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যাপক মো: রুহুল আমিন,

চাঁদপুর আল আমিন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুস শুকুর মস্তান, আল আমিন মডেল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা ফখরুল ইসলাম মাসুম, জনস্বাস্থ প্রকৌশলি জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আহসান হাবিব, বীর মুক্তিযোদ্ধা সাহাব উদ্দিন পাটওয়ারী, বোরহান উদ্দিন, কবি আনছারী মাহমুদসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য: রিভাইভ হোমিও সেন্টার একটি আধুনিক ও আদর্শ হোমিও চিকিৎসা কেন্দ্র। ডা: মাজহারুল আন্ওয়ার মুজাহিদ ডি এইচ এম এস (বি এইচ এম সি) বি এ (ডি ইউ) প্রতিদিন রোগী দেখার সময় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ০১টা, বিকাল ০৪টা থেকে রাত ১০টা, শুক্রবার রোগী দেখার সময় বিকেল ৪টা থেকে রাত ০৯টা পযর্ন্ত। মোবাইল নং- ০১৭৬৫৫০৫০২৭। ঠিকানা:-চাঁদপুর শহরের হাজী মহসিন রোড সাবেক ছায়াবানী হল টেকনো হান্ন কমপ্লেক্স নিচ তলার দক্ষিণ সারির পশ্চিম দিক হতে ৫ম কক্ষ।

ছাত্রলীগের মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি শামছুজ্জামান হাজীগঞ্জ পৌর আ’লীগের সেক্রেটারি হতে চান

খালেকুজ্জামান শামীম

হাজীগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী রান্ধুনীমুড়া মুন্সী বাড়ির কৃতী সন্তান মোঃ শামছুজ্জামান মুন্সী হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মরহুম সূজাওয়াত আলী মুন্সীর পৌত্র ও জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব নুরুল ইসলাম বিএসসির ছোট ভাই। এছাড়াও তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মরহুম হোসেন ইমাম হায়দার মুন্সীর ভাতিজা।

শামছুজ্জামান মুন্সী ওই বাড়ির সাবেক সরকারি কর্মকর্তা মরহুম সুবেদার (অবঃ) আব্দুল হামিদ মুন্সীর তৃতীয় সন্তান। ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতির মাধ্যমে রাজনীতিতে হাতেখড়ি তার। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ হাজীগঞ্জ শহর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আসীন রয়েছেন।

আসছে অল্প ক’দিনের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সম্মেলন। এই সম্মেলনটি ইতঃমধ্যে হাজীগঞ্জের আওয়ামী রাজনীতির পাশাপাশি বিভিন্ন দলের রাজনীতিবিদদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্ব পাচ্ছে। হাজীগঞ্জের রাজনীতিতে শহর কমিটি আন্দোলন-সংগ্রামে অনেক গুরুত্ব বহন করে থাকে। তাই এই কমিটি নিয়ে সবার মাঝে কম-বেশি আগ্রহ বিদ্যমান। স্থানীয় সংসদ সদস্য মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম এমপির বিশ্বস্ত রাজনীতিবিদ শামছুজ্জামান মুন্সী এবারে অনুষ্ঠিতব্য ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হচ্ছেন। দীর্ঘ দু’যুগের অধিক সময় ধরে তিনি আওয়ামী রাজনীতি করে আসছেন। দলের সকল পর্যায়ের আন্দোলন-সংগ্রামে তার ছিলো অগ্রণী ভূমিকা।

জানা যায়, রাজনৈতিক জীবনে শামছুজ্জামান মুন্সী বাংলাদেশ ছাত্রলীগ হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজ শাখার সিনিয়র সহ-সভাপতির পদ পান ১৯৯৭ সালে, উপজেলা ছাত্রলীগের কোষাধ্যক্ষ হন ১৯৯৯ সালে। ২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাজীগঞ্জ উপজেলার ৬, ৭, ৯ ও ১০নং ইউনিয়ন ও পৌর ১০, ১১, ১২নং ওয়ার্ডের মনিটরিং কমিটির তিনি সদস্য ছিলেন। ২০০৩ সালে সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচী শিল্পগোষ্ঠী হাজীগঞ্জ শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক, ২০০০ সালে উপজেলা ছাত্রলীগ (উত্তরাঞ্চল) সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক, ২০০৪ সালে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক, ২০০৫ সালে জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগ (শাহির পাটওয়ারী-মিঠুন ভদ্র) কমিটির সদস্য, ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য, ২০১২ সালে হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনা কমিটি হাজীগঞ্জ উপজেলা শাখার সদস্য পদে আসীন ছিলেন।

রাজনীতি করতে গিয়ে শামছুজ্জামান মুন্সীকে বহু বিষয়ে ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে। ১৯৯৬ সালে ছাত্রলীগে থাকাকালে বিএনপি জোট সরকারের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলনে ছিলেন। একই বছর তিনি বিএনপি-জামায়াত জোটের হাতে লাঞ্ছিত হাজীগঞ্জের আওয়ামী লীগের শীর্ষ ক’জন রাজনীতিবিদকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার ও অস্ত্র-গুলিসহ কয়েক সন্ত্রাসীকে পুলিশের হাতে তুলে দিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ও জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন ভোট কেন্দ্রে সক্রিয় ভূমিকা রাখা। একই চক্র ঐ সময় তার বসত বাড়িতে ঢুকে বসতঘর ভাংচুর আর পেট্রোল দিয়ে আগুন লাগানো অবস্থায় বাড়ির অন্যরা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এরপর বিএনপি জোট ক্ষমতায় থাকাবস্থায় শামছু মুন্সীর নামে ৭টি মিথ্যা মামলা দায়ের করে। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত বিভিন্নভাবে তাকে প্র্রায় ৩ বছরের মত পলাতক জীবন অতিবাহিত করতে হয়েছে বলে জানান শামছুজ্জামান মুন্সী।

দলের জন্যে জীবনের দীর্ঘসময় কাজ করলেও কোনো দিন কারো কোনো ধরনের সুবিধা নেননি দাবি করে তিনি জানান, ১/১১তে নেত্রীর মুক্তি আন্দোলনে সবসময় রাজপথে ছিলাম ও কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী গণস্বাক্ষর, গণঅনশনসহ দলের সকল কর্মসূচিতে রাজপথে সক্রিয় ছিলাম। ‘দলের সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হলে দলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে আপনার পরিকল্পনা কী’ জানতে চাইলে শামছুজ্জামান মুন্সী সংক্ষিপ্তাকারে জানান, দলের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদেরকে কথা দিতে চাই, আমি যদি দলের কাউন্সিলরদের সুচিন্তিত রায়ে উক্ত পদে নির্বাচিত হই, তবে হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দকে সাথে নিয়ে তাদের মতামতের ভিত্তিতে দলের সাংগঠনিক নেত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী দলের ভেঙে পড়া সাংগঠনিক কাঠামো পুনঃবিন্যাসে আত্মনিয়োগ করবো। যদি নির্বাচিত না হই তাহলে দলের একজন নিরলস কর্মী হিসেবে আজীবন দলের নেতা-কর্মীদের পাশেই থাকবো। একই সাথে তিনি হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী হিসেবে সবার দোয়া, ভালোবাসা, সমর্থন, সহযোগিতাসহ দলের ত্রি বার্ষিক সম্মেলনের সফলতা ও হাজীগঞ্জ পৌর আওয়ামী লীগের সকল পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।

‘বুলবুল’ এর প্রভাবে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি চাঁদপুরে

দিগন্ত রিপোর্ট

বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’ আরও শক্তিশালী হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১০ কিলোমিটার বৃদ্ধি পাচ্ছে। চাঁদপুরে ১নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত। এ কারণে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরে ইতোমধ্যে চার নম্বর স্থানীয় হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে। যা সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়তে পারে।

এদিকে ইতোমধ্যে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের প্রভাব পড়েছে চাঁদপুরে। শুক্রবার সকাল থেকে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন রয়েছে। ১১টার পর থেকে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। জেলার মেঘনা, ডাকাতিয়া আর ধনগোদা নদীর পানিও থমথমে অবস্থায় আছে। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সকলকে সতর্ক থাকার আহবান জানান চাঁদপুর জেলা প্রশাসক। ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি মোকাবেলায় শুক্রবার সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসকের বাসভবনে এক জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

জেলা প্রশাসক মো. মাজেদুর রহমান খান বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের প্রত্যেকের প্রস্তুত থাকতে হবে। যে সমস্ত সরকারি কর্মকর্তা ছুটিতে আছেন, তাদের অভিলম্বে স্ব স্ব কর্মস্থলে যোগদিতে হবে। তিনি বলেন, দুর্যোগ মোকাবেলায় ৫৮টি মেডিকেল টিম, স্থানীয় স্কাউট, রেড ক্রিসেন্ট, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সদস্যদের প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়াও নৌ-পুলিশ, কোস্ট গার্ড, ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাতো আছেনই। সকল মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার এবং বলগেট, ড্রেজার ইত্যাদি ছোট নৌযানগুলোকে নিরাপদে সরিয়ে আনা হয়েছে। বিভিন্ন চরাঞ্চলে মাইকিং করা হচ্ছে বলে জানান প্রশাসক। জেলা প্রশাসক বলেন, জরুরি অবস্থা মোকাবেলা করার জন্য ১৮৪ মেট্রিক টন চাল, নগদ এক লাখ ৭০ হাজার টাকা, ৭৩৬ ব্যান্ডেল টিন এবং প্রতি ব্যান্ডেলের জন্য ৩ হাজার টাকা করে মজুদ রাখা হয়েছে।

চাঁদপুর আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানাগেছে, ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবের কারণে চাঁদপুর নদীবন্দরকে ১নম্বর স্থানীয় সতর্কতা সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। তবে কেন্দ্রীয় আবহাওয়া অফিসের সূত্র অনুযায়ী ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে ৫৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৬২ কিলোমিটার যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়ার আকারে ৮৮ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রে নিকটে সাগর বিক্ষুব্ধ রয়েছে।

চাঁদপুর বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব বাড়ার পর থেকেই আমরা চাঁদপুর আবহাওয়া অফিসের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখছি। জরুরি প্রয়োজনে বিআইডাব্লিউটিএ কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। লঞ্চের যে কোন যাত্রী কিংবা লঞ্চ কর্তৃপক্ষ কন্ট্রোল রুমে যোগাযোগ করতে পারবেন। এছাড়াও আমাদের ঢাকায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ হয়েছে। ঘূর্ণি ঝড়ের মাত্রা বেড়ে গেলে চাঁদপুর থেকে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো। কন্ট্রোল রোম নম্বর: ০১৭১৮-৮১০০১৪।

চাঁদপুর লঞ্চঘাটের লঞ্চ মালিকপ্রতিনিধি মো. বিপ্লব সরকার বলেন, চাঁদপুরে আবহাওয়া মেঘাচ্ছন্ন ও হালকা বৃষ্টি থাকলেও ঘাট থেকে সকল লঞ্চ নিয়মিত সময় অনুযায়ী ছেড়ে যাচ্ছে। বিআইডাব্লিউটিএর কোন নির্দেশনা আসলে তখন তা মানা হবে।

চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমীর আ: রহীম পাটওয়ারী গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা আমীর ও ২০ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহীম পাটওয়ারীকে আটক করেছে চাঁদপুর ডিবি পুলিশ। সোমবার মধ্যরাতে নিজ বাসা থেকে গ্রেফতার করলেও গতকাল মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় আদালতে হাজির করিয়ে জেল হাজতে চালন দেয়া হয়।

পারিবারিক সুত্রে জানায়, গত ৪ নভেম্বর সোমবার মধ্য রাতে হঠাৎ ডিবি সদস্যরা বাসা ঘিরে আব্দুর রহিম পাটওয়ারীর নিজ বাসায় বিশ্রাম করা অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে। অথচ তার কোন মালার ওয়ারেন্টি নাই। তাকে অন্যায়ভাবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি গতকয়েকদিন যাবৎ শারিরিকভাবে অসুস্থ। গতকাল তিনি চাঁদপুর মডেল থানায় গ্রেফতার অবস্থায় ছিলেন। আমরা দ্রুত তার মুক্তি কামনা করছি।
অন্যায়ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ ॥ অবিলম্বে নি:শর্ত মুক্তির দাবী

চাঁদপুর জেলা জামায়াতের আমীর ও ২০ দলীয় জোটের অন্যতম নেতা বিশিষ্ট ইসলামী চিন্তাবিদ অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুর রহিম পাটওয়ারীকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

ঘরোয়া বিশ্রাম গুলোতেও হামলা চালিয়ে গ্রেফতার ও ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রদান করছে। সরকারের এই জুলুম নির্যাতন ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হওয়ার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। চাঁদপুর শহর জামায়াতের আমীর ও সেক্রেটারীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

সরকার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিক ও আদর্শিকভাবে মোকাবেলা করতে ব্যর্থ হয়ে দমন-পীড়নের পথ বেছে নিয়েছে। বর্তমান অবৈধ সরকার জনগণের কণ্ঠরোধ করে অন্যায়ভাবে ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য তেৃবৃন্দকে একের পর এক গ্রেফতার করছে। দেশে আজ গণতন্ত্র ও আইনের শাসন বলতে কোন কিছুই নেই। জেলা জামায়াতের আমীর আব্দুর রহিম পাটওয়ারীর মিথ্যা মামলা অবিলম্বে বাতিল করে মুক্তির দাবি করছেন চাঁদপুর সদর উপজেলা জামায়াতের আমীর ও সেক্রেটারীসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

কোন অপরাধ নয় বরং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে এবং জামায়াতকে নেতৃত্বশুন্য করতেই জেলা আমীর আব্দুর রহিম পাটওয়ারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অথচ তার কোন মামলার ওয়ারেন্টি নেই। অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করায় নিশর্ত মুক্তির দাবি এবং এভাবে নেক্কারজনক ভাবে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। অন্যথায় সরকারকে গণরোষের মুখোমুখী হতে হবে। ইসলামী ছাত্র শিবিরের শহর ও জেলা শাখার নেতৃবৃন্দ।

চাঁদপুরে এমপিওভুক্ত হলো যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

ইলিয়াছ পাটওয়ারী

দীর্ঘ প্রতীক্ষা শেষে দুই হাজার ৭৩০ প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার ২৩ অক্টোবর গণভবনে তিনি এ তালিকা ঘোষণা করেন।

চাঁদপুরে যেসব কলেজ এমপিওভুক্ত হলো: আল আমিন একাডেমী স্কুল এন্ড কলেজ, ফরিদগঞ্জ শোল্লা হাই স্কুল এন্ড কলেজ, কচুয়া চাঁদপুর এম এ খালেক মেমোরিয়াল স্কুল এন্ড কলেজ, কচুয়া ড. মনছুর উদ্দিন মহিলা কলেজ, মতলব উত্তর নাওরী আদর্শ কলেজ।

যেসব স্কুল এমপিওভুক্ত হলো: আদর্শ একাডেমী ফরিদগঞ্জ, মতলব দক্ষিন ডিঙ্গাভাঙ্গা হাই স্কুল, আলহাজ্ব তাফাজ্জল হোসাইন ঢালী হাইস্কুল, লামচরী হাই স্কুল, পোয়ালী কেবি এম হাই স্কুল, ফরিদগঞ্জ পূর্ব বোয়ালী শাহজাহান কবির জুনিয়র স্কুল, মডেল একাডেমী দেইচর, হাজী মোহাম্মদ সেলিম হাই স্কুল, শাশী আলী হাই স্কুল, হাজীগঞ্জ বোরখাল আদর্শ হাই স্কুল, পীর বাদশা মিয়া গার্লস উচ্চ বিদ্যালয়, চাঁদপুর সদর রাজরাজেস্বর ওমর আলী হাইস্কুল, হাইমচর ইশানবালা এম জে এস হাই স্কুল, শাহরাস্তি পাতিকখালী এস এ র্গালস হাই স্কুল।

যেসব মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হলো: চাঁদপুর সদর দাসাদী ডিএসআইএম কামিল মাদ্রাসা (¯œাতকোত্তর), শাহরাস্তি ভোলদিগী কামিল মাদ্রাসা, কচুয়া বিতারা আলিম মাদ্রাসা, কাদলা খাদিজাতুল কোবরা (রা) মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, দোঘর ইসলামীয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসা, ফরিদগঞ্জ কাচিয়ারা বালিকা আলিম মাদ্রাসা, চাঁদপুর সদর আনোয়ারা ইসলাম দাখিল মাদ্রাসা, হাজীগঞ্জ হাজেরা আলী ক্যাডেট দাখিল মাদ্রাসা, মতলব উত্তর দশানী আল আমিন বোরহানুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা, মতলব দক্ষিন রসুলপুর আন নিছা দাখিল মাদ্রাসা।

হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজ শিক্ষক-কর্মচারী বেতন ভাতা সরকারী এমপিওভুক্ত। ভোকেশনাল: কচুয়া তেগুরীয়া উচ্চ বিদ্যালয়।
এমপিওভুক্তির মধ্যে নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-৮ম) ৪৩৯, মাধ্যমিক বিদ্যালয় (৬ষ্ঠ-১০ম) ৯৯৪, উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় একাদশ থেকে দ্বাদশ ৬৮, কলেজ একাদশ থেকে দ্বাদশ ৯৩, ডিগ্রি কলেজ (১৩শ-১৫শ) ৫৬, মাদরাসা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দাখিল ৩৫৭, আলিম ১২৮, ফাজিল ৪২, কামিল ২৯, কারিগরি কৃষি ৬২, ভোকেশনাল ১৭৫ এবং এইচএসসি (বিএম) ২৮৩শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এমপিওভুক্তির ঘোষণার সময় সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয়ের সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা দীর্ঘদিনের চাহিদা। আমরা গত বছর ধরে এই কাজ করেছি। সবাই মিলে কাজ করে এ তালিকাভুক্ত করেছি। এমপিওভুক্ত সব প্রতিষ্ঠানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, তাদের কাছে আমার এটাই দাবি থাকবে যে, এখন এমপিওভুক্ত হয়ে গেছে কাজেই শিক্ষার মান এবং শিক্ষার পরিবেশটা যেন আরও সুন্দর হয়। শিক্ষার্থীরা স্কুল পর্যায় থেকেই কারিগরি শিক্ষা বা ভোকেশনাল ট্রেনিং যাতে নিতে পারে সে দিকে লক্ষ্য রেখে ব্যবস্থাগ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। কারণ আামদের ছোট-ছোট বাচ্চাদের ভেতরে অনেক মেধা লুকিয়ে থাকে। তারা অনেক কিছু তৈরি করতে পারে। সেটা বিকাশের একটা সুযোগ আমাদের করে দেয়া দরকার।